তুরস্ক ও সিরিয়ায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প।।
আজ শনিবার , ২৮ই মাঘ-১৪২৯
আসসালামুআলাইকু/ নমস্কার/ আদাব।
আজকে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি হৃদয়বিদারক একটি পোষ্ট নিয়ে।।
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই, আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়ায় অনেক ভাল আছি। যেখানেই থাকি যেভাবেই থাকি,সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করা দরকার। আর কারো সাথে অন্যায় করলে বা দুর্ব্যবহার করলে তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া দরকার। কারন কখন কার ইহ জীবনের পরিসমাপ্তি হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না। এক সেকেন্টেরও ভরসা নেই।
আপনার সবাই জানেন যে বর্তমানে সব থেকে আলোচিত একটি নিউজ হলো তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প। সোশ্যাল মিডিয়া পত্র-পত্রিকা,টিভি চ্যানেল সব জাগায় একটি নিউজকেই বেশি প্রচার করছে। আর সেটা হলো তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পের বিষয়। গত সোমবার ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ইউরোপের দেশ তুরস্কে আর মধ্য পাচ্যের দেশ সিরিয়ায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত । তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ২১৩ জনে। দেশটিতে আহত হয়েছে ৮০ হাজার ৫২ জন। আর সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৫০০ জন। তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা সর্বমোট ২৩ হাজার ৭০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। সিরিয়ায় ও তুরস্কে এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
তুরস্কের ১০টি ও সিরিয়ার ৪টি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সব থেকে বেশি। আবার সেই সব ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে এখন বরফজমা শীত। তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী যে কটি অঞ্চল ভূমিকম্পে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ায় এসব অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ এখন গৃহহীন হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করছেন তাঁরা। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সেই সব দেশে ত্রান পাঠাচ্ছে। আরেকটি নির্ভর যোগ্যে সূত্রে জানতে পেরেছি তুরস্ক ও সিরিয়া সরকার বাংলাদেশের নিকট শীতের পোষাক সহায়তা চেয়েছে।
যে মানুষ গুলো বিলাস বহুল বাড়িতে থাকতো দামি দামি গাড়ি ব্যবহার করতো আজকে তারা শীতের পোষাক সহায়তা চাই। কখন কার জীবনে কি নেমে আসে সেটা কেউ বলতে পারে না। তুরস্কের এক লোক তিনটি বাড়ির মালিক ছিল পরের দিন সকালে সে ত্রান হিসাবে তিনটি রুটি চাইতেছে। আরিক আর অরিক নামের দুইটি ছেলে সকাল ভোরে মা-বাবার সাথে গাড়িতে করে স্কুলে যাচ্ছিলো রাস্তায় গাড়ির উপর বাড়ির দেয়াল পড়ে সেখানেই সবাই মারা যায়। এমন হাজারো মানুষের কাহিনী পড়তে পড়তে চোখের জল গড়িয়ে পরছে।
আরেকটি নিউস দেখলাম হস্পিটালে বুকে রড লেগে মা মারা যায়। কিন্তুু বাচ্ছা বেছে থাকায় সেখানেই পেট কেটে বাচ্ছাটাকে বের করা হয়। ভূমিকম্পের কারনে দুনিয়াতে এসে মা-বাবা কাউকে দেখতে পেল না। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে হাজারো মানুষের চিৎকারের আওয়াজ শুনা যাচ্ছে তুরস্ক আর সিরিয়ার আকাশে বাতাসে। কত মানুষ ধনী থেকে ফকির হয়ে গেছে।
এসব ঘটনা থেকে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। কত মানুষ টাকা-পয়সার ক্ষমতা দেখায়। অর্থ সম্পদ পেয়ে অহংকারী হয়ে উঠে। অথচ তারা জানেনা সৃষ্টিকর্তা ধন-দৌলত,টাকা পায়সা,অর্থ সম্পদ দিতে যেমন সময় লাগে না,আবার কেড়ে নিতেও সময় লাগে না। একটি প্রবাদ আছে “সকাল বেলার ধনীরে তুই ফকির সন্ধা বেলা”। কি নিয়ে আমরা এত অহংকার করি, এত গর্ব করি। যার এক সেকেন্টের ভরসা নেই।
ভূমিকম্পে যারা মারা গেছে সৃষ্টিকর্তা সবাইকে নাজাত দান করুন। যারা অসুস্থ তাদের সবাইকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন। যাদের আত্নীয় স্বজন, মারা গেছে,যাদের অর্থ সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে তাদের ধৈর্য ধারন করার শক্তি দান করুন। আমীন।।
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।।
আমি একজন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে আমার বসবাস। সিম্পল আমার স্বপ্ন সিম্পল আমার জীবন। স্টিমিট আমার জীবনের একটি অংশ, আমার বাংলা ব্লগ আমার পরিবার। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমি স্টিমিটকেই চিনি। ভ্রমন করা, ফটেগ্রাফি করা আর বই পড়া আমার স্বপ্ন। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জীবনে উত্তান পতন আছেই। সর্বপরি কাজ করতে হবে লেগে থাকতে হবে, তাহলেই একদিন সফলতা আসবে,এটাই আমি বিশ্বাস করি। সবাইকে ধন্যবাদ।।
Bangla Witness কে সাপোর্ট করতে এখানে ক্লিক করুন
এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
এই বিষয়টা নিয়ে আমি কিছুদিন আগে একটা নিউজ দেখেছিলাম। খুবই মর্মান্তিক একটি ঘটনা। দোয়া করে যেন এই সমস্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে যেন আমাদের দেশ সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখেন। আর তাদের জন্য দোয়া করি যেন তারা তাদের ক্ষয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে এবং পূর্বের মতো দিন যাপন করতে পারেন।
জী ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন, আমাদের সবার এই দোয়া করা উচিত। যেন আমাদের দেশটাকে সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখেন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমাদের একটা শিক্ষা নেয়া উচিত এ প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে! কত মানুষের ঘর বাড়ি ভেঙেছে, মারা গিয়েছে, মাটির নিচে চাপা পরেছে! দৃশ্যগুলো সোস্যাল মিডিয়াতে দেখেই চোখে জল চলে আসে! এই যে এতো অহংকার আমাদের ধন-সম্পদ নিয়ে! সৃষ্টিকর্তা চাইলে নিমিষেই আমাদের ফকির বানিয়ে দিতে পারেন! মানুষের সুবুদ্ধির উদয় হোক!
জী ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন। এসব ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। ধন্যবাদ ভাইয়া।
গত কয়েকদিন থেকে টিভিতে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুরস্ক আর সিরিয়ার এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত সেই আপডেট গুলো দেখছি। খুবই খারাপ লাগছে দেখে।আপনার পোস্টের মাধ্যমে আবারো পড়ে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। আসলেই দিন শেষে টাকা পয়সা দিয়ে কি হবে যদি জীবনই না থাকে।
জী আপু কত জায়গায় কত মানুষ মরে পরে আছে। কত কষ্ট করছে তারা। নিউজ গুলো দেখলে খুব কষ্ট হয়।
আসলেই কখন কার জীবনে কি নেমে আসে তা কেউ বলতে পারবে নাহ ৷ তুরস্ক ও সিরিয়ায় এমন পরিস্থিতি সত্যিই আমাদের বড় একটি শিক্ষা দেয় ৷ জীবনের কোনো দাম নেই ৷ টাকা পয়সা অর্থ ক্ষমতার অহংকার দু দিনের ৷ যাই হোক তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পর এমন পরিস্থিতি দেখে সত্যিই অনেক খারাপ লাগছে ৷ দুদিন ধরে শুধু তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পের খবর দেখা যাচ্ছে অনেক বেশি ৷
জী ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছেন,কখন কার জীবনে কি নেমে আসে কেউ বলতে পারে না। দুই দিনের দুনিয়ায় কিসের এত অহংকার।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ঘটে যাওয়া ভূমিকম্প যেন আমার চোখের সামনে ভাসছে। খুবই খারাপ লাগছে সেই মানুষগুলোর জন্য যারা এই ভূমিকম্পের কারণে তাদের প্রাণ হারিয়েছে। এখন তো যেখানেই ঢুকছি সেখানেই শুধু তুরস্ক ও সিরিয়ায় ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কথাই চলছে। আসলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির কথা শুনে চোখ দিয়ে জল এমনিতেই গড়িয়ে পড়ছে। আমার মনে পড়ে গেল সেই মানুষগুলোর কথা। সুন্দর ভাবে লিখেছেন আপনি।
জী ভাইয়া প্রতিদিন তাদের বিষয়ে নিউজ পড়ছি,খুব খষ্ট লাগছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
তুরস্ক এবং সিরিয়ায় ভূমিকম্পের ঘটনায় পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। এত বড় মাত্রার ভূমিকম্প অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে দুটি দেশের। এত মানুষের মৃত্যু এই দেশগুলোর জন্য অনেক বড় শোকের বার্তা বয়ে নিয়ে এসেছে। আশা করছি খুব দ্রুতই তারা এই শোক কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
জী ভাইয়া আমরাও চায় খুব দ্রুত শোক কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুক। ধন্যবাদ ভাইয়া।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পের কথা ভাবতেই হৃদয় কেঁপে ওঠে। আসলে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পর ফলে অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। অনেকে তাদের প্রিয়জন হারিয়েছে। সত্যি কথা বলতে ভূমিকম্পের সেই ভয়াবহতা টিভিতে দেখে এবং নিউজ পেপারে দেখে ভীষণ খারাপ লেগেছে। সৃষ্টিকর্তা যেন এই মানুষগুলোকে সুরক্ষিত রাখে এবং রক্ষা করে এই প্রত্যাশাই করি।
জী আপু তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন। আমীন।।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প এর ভয়াবহতা নিয়ে আমরা সবাই অবগত আছি ভাই। বিভিন্ন নিউজ এর মাধ্যমে আমরা নিয়মিত এইসব দেখতে পাচ্ছি। এমন ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোন দেশের মানুষের সাথে ঘটলে তা সত্যিই দুঃখজনক লাগে । যেমন ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে হাজারো মানুষের চিৎকারের আওয়াজ শুনা যাচ্ছে তুরস্ক আর সিরিয়ার আকাশে বাতাসে তেমনভাবে ধ্বংসস্তূপ এর নিচে হাজার হাজার মানুষের চিৎকার চিরতরে থেমে গেছে। এসব ঘটনা দেখে সত্যিই ভাই আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। আমাদের কখনোই অহংকার করা উচিত না কোন জিনিস নিয়ে। দুই দিনের দুনিয়া, আজ আছি কাল নেই এমনটা ঘটতেই পারে। আজ রাতে ঘুমালে কালকে সকালে উঠবো কিনা তার ভরসা কখনোই পাওয়া যায় না।
জী দাদা আপনি ঠিক বলেছেন,দুই সেকেন্টেরও ভরসা নেই। ধন্যবাদ দাদা।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প দৃশ্যগুলো চোখের সামনে বাঁচতেছে। আসলে মানুষগুলোর জন্য অনেক কষ্ট লাগতেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এভাবে দুটো দেশ কিভাবে নিঃস্ব হয়ে গেল। আসলে উদ্ধারকর্মীরা অনেক চেষ্টা করতেছে। প্রতিটি নিউজে দেখা যাচ্ছে কত মানুষ মারা পাওয়া যাচ্ছে। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক। আপনার পোষ্টটি পড়ে আরো বেশি খারাপ লাগলো তুরস্ক ও সিরিয়ার দেশ দুটির জন্য।
জী আপু আপডেট নিউজ পড়ছি আর কষ্ট লাগছে।আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক।