"পিতা বনাম পূত্রগং"পর্বঃ--৮২//নাটক রিভিউ
আজ--১২ অগ্রহায়ণ | ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | বুধবার| হেমন্তকাল |
আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
- প্রিয় কমিউনিটি,আমার বাংলা ব্লগ
- নাটক রিভিউ (পিতা বনাম পূত্রগং--৮২)
- আজ--১২ইঅগ্রহায়ণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
- বুধবার
তো চলুন শুরু করা যাক...!
শুভ দুপুর সবাইকে......!!
ছবিঃ- ইউটিউব থেকে স্কিনশট নেওয়া।
নাটকের কিছু তথ্য
| নাম | পিতা বনাম পূত্রগং । |
|---|---|
| পরিচালনা | সকাল আহমেদ। |
| প্রযোজক | কাজী রিটন |
| রচনা | বৃন্দাবন দাশ |
| গল্প | রমজান আলী |
| আবহ সংগীত | অধ্যায়ন ধাড়া (কলকাতা)মেহেদি হাসান তামজিদ |
| চিত্রনাট্য | শামসুল আলম লেলিন। |
| অভিনয়ে | মাসুম বাসার,আজিজুল হক,নাদিয়া আহমেদ,শাহনাজ খুশি,প্রাণ রায়,আরফান আহম্মেদ,মৌসুমি হামিদ,শিরিন আলম,ইকবাল হোসেন,আশরাফুল আর্শিষ,শেলি আহসান,সৌম,সেতু,তৌহিদুল ইসলাম তায়েব এবং চঞ্চল চৌধুরী,সহ আরও অনেকে । |
| দৈর্ঘ্য | ২০মিনিট ০০ সেকেন্ড |
| পরিবেশনায় | Maasranga TV Official |
| মুক্তির তারিখ | ২৪-শ নভেম্বর, ২০২২ ইং |
| ধরন | সামাজিক,বাংলা ড্রামা সিরিয়াল |
| পর্ব | ৮২ |
| ভাষা | বাংলা। |
| দেশ | বাংলাদেশ |
নাটকের সংক্ষিপ্ত কাহিনীঃ-
অনেকদিন পরে আমি আপনাদের মাঝে পিতা বনাম পুত্রগং নাটকের ৮২ পর্বের রিভিউ নিয়ে হাজির হয়েছি। ইতোমধ্যে আপনারা জেনেছেন যে বাসার সাহেবের ছোট স্ত্রী তার বাসা থেকে হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছিল এবং অনেকদিন পরে তার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে কোন এক স্টেশনের ধারে তার লাশ পড়ে আছে আর এটা শুনেই বাসার সাহেব সহ অন্যান্য সদস্যরা অনেক বেশি চিন্তিত বিশেষ করে বাসার সাহেবের বোন এবং চঞ্চল চৌধুরী অনেক বেশি চিন্তিত ছিল বাসার সাহেবকে নিয়ে। হঠাৎ করেই বাসায় পুলিশ চলে আসে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য এদিকে চঞ্চল চৌধুরী ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তার বাবাকে বাসা থেকে পালাতে সাহায্য করেছে যদিও তার বাবা বাসা থেকে পালাতে চাইনি। একটা পর্যায়ে বাসা সাহেবের জামাই বাসা সাহেবের বোন এবং তার মেয়ের কাছে গিয়ে নিজেকে অনেক বড় প্রমাণ করার চেষ্টা করে মূলত সে এটা প্রমাণ করতে চায় যে সে পুলিশকে কোন রকম ভাবে বুঝিয়ে বিদায় করে দিয়েছে কিন্তু ব্যাপারটা একদমই ভিন্ন পুরো ব্যাপারটা হ্যান্ডেল করেছে চঞ্চল চৌধুরী এবং আরফান। যাইহোক বাসায় এরকম হঠাৎ ঝামেলায় সকলেরই মন অনেক বেশি খারাপ এবং সকলেই অনেক বেশি চিন্তিত।
পরের অংশ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে বাসার সাহেবের ছোট ছেলের প্রেমিকা হঠাৎ করেই শাহনাজ খুশির ভাইকে নিয়ে একটা জায়গায় যায় এবং সে মূলত তাকে ডেকে নিয়ে এসেছে যেন সে তার প্রেমিককে নিয়ে নির্দিষ্ট একটা দিনে অন্য কোথাও চলে যায় কারণ ওই দিনে তার অন্য আরেকটা ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু শাহনাজ খুশির ছোট ভাই সেটা কোনভাবেই করবে না বলে জানিয়ে দেয় আর যখন সেই মেয়েটা এটা জানতে পারে তখন সে তাকে অনেক রকম ভাবে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করে। তারপরেও সেই ছেলেটা রাজি হয়না অবশেষে সেই ছেলেটা তাকে এটা জানায় যে এমনিতেও বাসা সাহেবের ছোট ছেলে বাসা থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে কারণ তাদের বাসায় পুলিশ এসেছে। এটা শুনে সেই মেয়েটা কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়ে।
এদিকে বাসার সাহেব একটা বাগানের মধ্যে গাছের নিচে বসেছিল হঠাৎ করেই বাসার সাহেবের মেজো ছেলে সেই পাশ দিয়ে যায় এবং তার মেজো ছেলের সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়। বাবা এবং ছেলের মাঝে কথোপকথন হয় কিন্তু বাসার সাহেবের ছেলের কথা শুনে মনে হচ্ছিল তার মধ্যে কোনরকম চিন্তাভাবনা নেই সে মূলত চাচ্ছে যে তার বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাক কেন না সঠিক সময়ে তার বাবা তাদেরকে বিয়ে করায়নি আর এ ব্যাপারটা নিয়ে তারা কয় ভাই অনেক বেশি কষ্ট পাচ্ছে সেই সাথে বাবার উপর সকলেই অনেক বেশি রাগান্বিত। সে তার বাবার সঙ্গে অনেক রকম তর্কাতর্কি করে এবং তার দুঃখের কথাগুলো তার বাবাকে শেয়ার করে কিন্তু তার বাবা তো নাছোড়বান্দা সে কোন কথাই শুনতে চায় না।
যেহেতু বাসার সাহেব কে ধরে নেওয়ার জন্য পুলিশ এসেছিল যার কারণে বাসার সাহেবের সকল সন্তানেরা কিছুটা হলেও চিন্তিত তবে তার বাবাকে নিয়ে তারা বিন্দুমাত্র চিন্তিত নয় তারা চিন্তিত তাদের নিজেদের নিয়ে। মূলত তারা এটাই ভাবছে যে পুলিশ এসে যদি পরবর্তীতে বাবাকে খুঁজে না পায় তাহলে তাদেরকে ধরে নিয়ে যাবে আর এ ব্যাপারটা নিয়েই বাসার সাহেবের বড় ছেলে এবং আরফান একে অপরের সঙ্গে কথা বলছিল। তবে বাসার সাহেবের বড় ছেলে এখন পর্যন্ত এটা মানতে পারছে না যে তার বাবা তার ছোট মায়ের কোণে কিন্তু আরফান সেটা ঠিকই বিশ্বাস করেছে আর এ ব্যাপারটা নিয়ে যখন তারা কথা বলছিল তখন হঠাৎ করে সেখানে শাহনাজ খুশি এসে হাজির হয়। শাহনাজ খুশির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ করেই আরফান এবং শাহনাজ খুশি তর্কে জড়িয়ে পড়ে আর শাহনাজ খুশি সেখান থেকে রাগ করে চলে যায় মূলত শাহনাজ খুশি হোক এটা বিশ্বাস করতে পারছে না যে বাসার সাহেব এরকম একটা কাজ করবে বা সে কাউকে খুন করতে পারে এটা সে কোনভাবেই বিশ্বাস করতে পারছে না।
এরপরে চঞ্চল চৌধুরী এবং নাদিয়ার একে অপরের সঙ্গে কথা বলার দৃশ্য দেখা যায় মূলত এখন তারা প্রেমিক এবং প্রেমিকা। যেহেতু চঞ্চল চৌধুরীর পারিবারিক অবস্থা এখন খুব একটা ভালো না যার কারণে নাদিয়া সঙ্গে সে দেখা করে এ ব্যাপারটা নিয়েই কথা বলছিল কিন্তু চঞ্চল চৌধুরী তো মূলত একজন নাটক বাজ সে সবসময়ই নাদিয়াকে পটানোর চেষ্টা করে এবং তার দুঃখের কষ্টের কথাগুলো সে নাদিয়াকে বলছিল না দিয়েও তার প্রেমিকের দুঃখের কষ্টের কথা শুনে কষ্ট পাচ্ছিল। আসলে সত্যিকার অর্থে একজন প্রেমিক তার প্রেমিকার হাত ধরার জন্য কত রকম বাহানা খোঁজে চঞ্চল চৌধুরীও অনেক রকম বাহানা অনেক রকম দুঃখের কথা বলে নাদিয়ার হাত ধরে বলে তোমার হাত ধরলে আমার সব দুঃখ শেষ হয়ে যায় এটা শুনে সত্যিই অনেক বেশি হাসি পাচ্ছিল শুধুমাত্র হাত ধরার জন্যই সে এরকম বাহানা করেই যাচ্ছিল, হাহাহা
পরবর্তী পর্ব লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে হঠাৎ করেই তো চঞ্চল চৌধুরী দৌড়াতে দৌড়াতে তার বাবার কাছে এসে বলে যে সে কোন রকম ভাবে পুলিশকে বলে বের করে দিয়েছে সে যেন বাসায় এখন আর কোনভাবেই না যায়। কিন্তু বাসার সাহেব সেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত একটা কথাই বলে আসছে যে সে কোন অপরাধ করেনি বাসে কাউকে খুন করেনি তাহলে সে কেন বাসা থেকে বের হয়ে আসলো এবং কেন চঞ্চল চৌধুরী তাকে বাসা থেকে বের করতে বাধ্য করলো যদিও বাসার সাহেব মনে মনে একটু ভয় পাচ্ছে তবে সে এখন পর্যন্ত কখনোই স্বীকার করেনি যে সে তার ছোট স্ত্রীর খুন করেছে। মূলত বাসার সাহেবের সন্তানেরা সন্দেহের বসতে বাশার সাহেবকে বাসা থেকে পালাতে সাহায্য করেছে তবে এখন পর্যন্ত এটা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না যে আসলেই বাসার সাহেব খুন করেছে কিনা...!!
সত্যি বলতে নাটকটা এ পর্যায়ে এসে অন্যরকম একটা মোড় নিয়েছে এখন পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না যে আসলে বাসার সাহেবের ছোট স্ত্রীকে কে খুন করেছে তবে বাসার সাহেবের প্রত্যেকটা সন্তানই বাসার সাহেবের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে এবং সকলে এটাই বিশ্বাস করছে যে সেই হয়তোবা তাকে খুন করেছে। এদিকে বাসার সাহেব তার সন্তানদেরকে বিয়ে দেয় না এ কারণেই সকলেই তার বাবার উপর অনেক বেশি রাগান্বিত তবে বাসার সাহেবের মত একজন বৃদ্ধ লোক কাউকে খুন করতে পারে এটা এখন পর্যন্ত আমি মানতে পারছি না তবে পরবর্তী পর্বগুলো দেখলে হয়তো বা পুরো ব্যাপারটা ভালোভাবে বোঝা যাবে। আজ আর নয় এখানেই শেষ করছি, সকলেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে...!!
শিক্ষণীয় দিক-
পিতা বনাম পুত্রগণ নাটকটি মূলত একদম বাস্তবতা অবলম্বনে নির্মিত করা হয়েছে। অনেক আগে গ্রাম অঞ্চলের লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে পিতা মাতারা তাদের সন্তানদেরকে বিয়ে দিতে মোটেও চাইত না। মূলত তারা বিয়ে দিতে চাইতো না কারণ তারা ভাবতে হয়তো অন্য ঘরের মেয়েরা সংসারে আসলে তারা সংসারটা নষ্ট করে দেবে বা তাদের ছেলেরা তাদেরকে ছেড়ে দিয়ে চলে যাবে। কিন্তু ছেলেদেরকে বিয়ে না দিলে তারা যে কতটা উতোলা হয়ে পড়ে সেটা এই নাটকটা দেখলে বোঝা যায়। নাটকের মধ্যে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে বিয়ে করার জন্য বাসার সাহেবের পাঁচ সন্তান খুবই উৎফুল্ল কিন্তু বাসার সাথে তাদেরকে বিয়ে দিচ্ছে না। মূলত এই নাটকের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, সন্তানদেরকে পর্যাপ্ত বয়সে বিয়ে না দিলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
ব্যক্তিগত মতামত-
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই সকাল আহমেদ স্যারকে এত সুন্দর একটি নাটক আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। পিতা বনাম পুত্রবাগ নাটকের মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি এবং শিখছি। আমার মনে হয় এটা একটা বাস্তবধর্মী নাটক যেটা কিনা বর্তমান সময়ের সঙ্গেও কিছুটা মিল রয়েছে। বর্তমান সমাজের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যারা কিনা সন্তানদেরকে দিয়ে দেয় না কিন্তু তার সন্তানেরা বাবা মার কাছে বলতেও পারে না যে তারা বিয়ে করবে। এটাই মূলত নাটকের মূল বিষয়বস্তু। আমি মনে করি এই নাটকটি সকল পিতা-মাতার দেখা উচিত এতে করে তারা এই নাটকের মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।
ব্যক্তিগত রেটিং-
আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। আমার এই পোস্ট পরে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন বলে আশা রাখি। আপনার সুন্দর মন্তব্যই আমার কাজ করার অনুপ্রেরণা
| বিভাগ | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| বিষয় | পিতা বনাম পূত্রগং"পর্বঃ-৮২ |
| পোস্ট এর কারিগর | @jibon47 |
| অবস্থান | [সংযুক্তি]source |
আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নেম @jibon47। আমি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আব্বু আম্মু আর ছোট বোনকে নিয়েই আমার পরিবার। এই তিনজন মানুষকে কেন্দ্র করেই আমার পৃথিবী।একসাথে সবাইকে খুশি করা তো সম্ভব নয়, তারপরও আমি চেষ্টা করি পরিবারের সবাইকে খুশি রাখার। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে।আমি বর্তমানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাপড়া করছি। আমি গান গাইতে, কবিতা লিখতে, এবং ভাই ব্রাদারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। সত্যি বলতে আমি প্রচন্ড রকমের অভিমানী, হতে পারে এটা আমার একটা বদ অভ্যাস। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব,"আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি।
@jibon47
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এত সুন্দর করে আপনি এই নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন দেখে আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। দেখতে দেখতে এই নাটকের ৮২ টা পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে। আর প্রত্যেকটা পর্ব অনেক সুন্দর হয়েছে। এই নাটকের বেশিরভাগ পর্বের রিভিউ আমি পড়েছি। অনেক ধন্যবাদ এই পর্বের রিভিউ শেয়ার করার জন্য
সময়ের কারণে যদিও নাটক খুব একটা দেখা হয় না, তবে রিভিউর মাধ্যমে নাটকের রিভিউ পোস্ট পড়ার জন্য চেষ্টা করি। পিতা বনাম পূত্রগং নাটকের কাহিনীটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তাই আমি ভাবছি সময় পেলেই নাটকটা আমি দেখবো। আশা করছি আপনি প্রতিনিয়ত এরকম সুন্দর সুন্দর নাটকগুলো রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করে যাবেন। অনেক ধন্যবাদ এই নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য।
অনেক সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আপনার শেয়ার করা নাটক রিভিউটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। যদিও নাটকটি দেখা হয়নি তবে আপনার রিভিউ পড়ে অনেক কিছু বুঝতে পারলাম। সময় করে অবশ্যই নাটকটি দেখব। ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেন।