"পিতা বনাম পূত্রগং"পর্বঃ--৮৩//নাটক রিভিউ
আজ--২৪ অগ্রহায়ণ | ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | সোমবার| হেমন্তকাল |
আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
- প্রিয় কমিউনিটি,আমার বাংলা ব্লগ
- নাটক রিভিউ (পিতা বনাম পূত্রগং--৮৩)
- আজ--২৪শঅগ্রহায়ণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
- সোমবার
তো চলুন শুরু করা যাক...!
শুভ দুপুর সবাইকে......!!
ছবিঃ- ইউটিউব থেকে স্কিনশট নেওয়া।
নাটকের কিছু তথ্য
| নাম | পিতা বনাম পূত্রগং । |
|---|---|
| পরিচালনা | সকাল আহমেদ। |
| প্রযোজক | কাজী রিটন |
| রচনা | বৃন্দাবন দাশ |
| গল্প | রমজান আলী |
| আবহ সংগীত | অধ্যায়ন ধাড়া (কলকাতা)মেহেদি হাসান তামজিদ |
| চিত্রনাট্য | শামসুল আলম লেলিন। |
| অভিনয়ে | মাসুম বাসার,আজিজুল হক,নাদিয়া আহমেদ,শাহনাজ খুশি,প্রাণ রায়,আরফান আহম্মেদ,মৌসুমি হামিদ,শিরিন আলম,ইকবাল হোসেন,আশরাফুল আর্শিষ,শেলি আহসান,সৌম,সেতু,তৌহিদুল ইসলাম তায়েব এবং চঞ্চল চৌধুরী,সহ আরও অনেকে । |
| দৈর্ঘ্য | ২০মিনিট ০০ সেকেন্ড |
| পরিবেশনায় | Maasranga TV Official |
| মুক্তির তারিখ | ২৭-শ নভেম্বর, ২০২২ ইং |
| ধরন | সামাজিক,বাংলা ড্রামা সিরিয়াল |
| পর্ব | ৮৩ |
| ভাষা | বাংলা। |
| দেশ | বাংলাদেশ |
নাটকের সংক্ষিপ্ত কাহিনীঃ-
পিতা বনাম পুত্রগং নাটকের ৮৩ পর্বের প্রথম অংশ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বাসার সাহেবের ছোট ছেলে একটা বাগানের মধ্যে গাছের আড়ালে লুকিয়ে আছে। ইতোমধ্যেই আপনারা জেনেছেন বাশার সাহেবকে পুলিশে ধরার জন্য বাসায় এসেছে যার কারনেই বাশার সাহেবের ছোট ছেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কারণ বাসার সাহেবের ছোট ছেলে একটু বোকাসোকা টাইপের যার কারণে সে পুলিশ দেখে অনেক বেশি ভয় পেয়েছে। হঠাৎ করেই সেই পাশ দিয়ে খুশির ছোট ভাই যাচ্ছিল আর শাহনাজ খুশির ছোট ভাইকে দেখে সে তার কাছে গিয়ে তার প্রেমিকার ব্যাপারে জানতে চাই।। এবারে শাহনাজ খুশির ছোট ভাই বাসার সাহেবের ছোট ছেলের কাছে পুরো ঘটনাটা বলে দেয় যে তার প্রেমিকা তার সঙ্গে চিট করেছে। কিছুদিন পরেই তার বিয়ে হয়ে যাবে আর তার প্রেমিকা তাকে এটা বলেছে যে তার প্রেমিককে নিয়ে যেন সে নির্দিষ্ট একটা দিনে কোথাও ঘুরতে যায় যাতে করে তার বিয়েতে কোনরকম সমস্যা না হয়। এই কথা শুনে যেকোন প্রেমিকের কষ্ট পাওয়াটাই স্বাভাবিক ঠিক তেমনি ভাবে বাসার সাহেবের ছোট ছেলেও অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছিল।
এর পরের অংশ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে নাদিয়া হঠাৎ করেই শাহনাজ খুশির সঙ্গে দেখা করতে এসেছে কারণ আপনারা ইতোমধ্যেই জানেন যে নাদিয়া এবং চঞ্চল চৌধুরীর মাঝে একটা প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে তারা দুজন দুজনকে এখন অনেক বেশি ভালোবাসে কিন্তু চঞ্চল চৌধুরীর বাবার বিরুদ্ধে যেহেতু খুনির মামলা হয়েছে যার কারণে নাদিয়া এখন অনেকটাই পিছু হাটার চেষ্টা করছে। এই ব্যাপারটা নিয়েই তারা দুজন একে অপরের সঙ্গে কথা বলছিল কিন্তু তারা দুজনই এটা বিশ্বাস করে যে বাসার সাহেবের দ্বারা এরকম খুন করা কখনোই সম্ভব নয় কিন্তু চঞ্চল চৌধুরী যেহেতু নাদিয়াকে বলেছে তার বাবা খুনি যার কারণে নাদিয়া কিছুটা অবিশ্বাসও করছে বটে।
এদিকে রাতের বেলা বাসার সাহেবের মেয়ে এবং তার জামাই একে অপরের সঙ্গে কথা বলছে আপনারা ইতোমধ্যে সকলেই জানেন যে বাসার সাহেবের জামাই খুবই দুষ্টু প্রকৃতির একজন লোক। কারন সে সব সময়ই বাসার সাহেবের সম্পত্তির উপর অনেক বেশি লাভ করে এবং এই খুনের পেছনে আসলে কোনটা সত্য সেটা এখন পর্যন্ত বুঝতে পারছি না কারণ আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হচ্ছে এই খুনের পেছনে বাসার সাহেবের জামাই এবং চঞ্চল চৌধুরী হয়তোবা অন্য কোন নতুন খেলা খেলছে। কারণ বাসার সাহেব বরাবরই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করছে সে বারবার এটাই বলছে যে সে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুন করেনি।
লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে রাতের বেলা বাসার সাহেব বাসায় এসেছে এবং বাসার সাহেবের বড় ছেলে এবং তার বোন তার কাছে গিয়ে খুনের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছে। এবং বাসার সাহেব বারবার এটাই বলছে যে তার দ্বিতীয় স্ত্রী কিভাবে খুন হয়েছে সে এখন পর্যন্ত জানে না সে শুধুমাত্র পুলিশের ভয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছে কারণ চঞ্চল চৌধুরী তাকে বের হতে বাধ্য করেছিল। তবে বাসার সাহেবের কথা শুনলে বোঝা যায় যে আসলেই সে খুন করেই তবে বাস্তবিক অর্থে আসলেই বাসার সাহেবের দ্বিতীয় স্ত্রী খুন হয়েছে কিনা সেটা এখন পর্যন্ত ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে না কারণ তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে এখন পর্যন্ত দেখায়নি। বাসার সাহেবের বড় ছেলে এবং তার বোন অনেক বেশি চিন্তিত কারণ এই বৃদ্ধ বয়সে যদি বাসার সাহেবকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় তাহলে অনেক বেশি সমস্যায় পড়তে হবে। বাসার সাহেব বরাবরই অনেক রাগী একজন মানুষ যার কারণে সে বেশি কথা বলা পছন্দ করেনা একটা পর্যায়ে এসে রেগে গিয়ে সকলকে রুম থেকে বের করে দেয়।
এর পরের অংশ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে বাসার সাহেবের জামাই হঠাৎ করেই বাসার সাহেবের বড় দুই সন্তানকে ডেকে নিয়ে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। মূলত বাসার সাহেবের জামাই এটাই চাচ্ছে যে তার শ্বশুরকে যেন পুলিশ ধরে নিয়ে যায় যাতে করে সে তার শ্বশুরের সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে পারে আর এ ব্যাপারে চঞ্চল চৌধুরী সহ সকলেই কেন জানি তাকে অনেক বেশি সাপোর্ট করে সকলেই মনে করে যে তার মাথায় অনেক বুদ্ধি এবং সে যেকোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে সেটা সমাধান করে দিতে পারে কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বাসার সাহেবের জামাই সবসময়ই তাদেরকে কুবুদ্ধি দিয়ে অনেক রকম সমস্যায় ফেলে দেয়। বাসার সাহেবের সন্তানদেরকে ডেকে নিয়ে এসে এটাই বলার চেষ্টা করে যে তার বাবাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিতে তাহলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
এদিকে চঞ্চল চৌধুরী রাতের বেলা নাদিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছে মূলত তার সুখ-দুঃখের কথাগুলো সে এখন নাদিয়ার কাছেই শেয়ার করে থাকে। চঞ্চল চৌধুরী অনেক বেশি চিন্তায় পড়ে গিয়েছে কারণ কিছুদিন পরেই তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আর বিয়ে হওয়ার আগেই তার সঙ্গে এরকম একটা ঘটনা ঘটে গেল যার কারণে সে এখন বিয়েও করতে পারছে না।অনেক কথাবার্তা বলে হঠাৎ করে চঞ্চল চৌধুরীর নাদিয়াকে এটা বলে যে তাদের এখন বিয়ে করা উচিত কিন্তু নাদিয়া চঞ্চল চৌধুরীকে এখন বিয়ে করতে চাচ্ছেনা কোন ভাবেই কারণ যেহেতু তার বাবার উপর খুনের দোষ চাপানো হয়েছে আর খুনি পরিবারের সঙ্গে কেবি আত্মীয়তা করতে চায় না এটা সচরাচর গ্রাম অঞ্চলে অনেক বেশি ঘটে থাকে। তবে নাদিয়া থাকে এটা বলে আর সুস্থ করে যে সকল সমস্যার সমাধান হওয়ার পরেই তারা বিয়ে করবে।
সত্যি বলতে এখন পর্যন্ত বুঝতে পারছি না যে বাসার সাহেবের দ্বিতীয় স্ত্রীকে কে খুন করেছে। এদিকে বাসার সাহেবের জামাই এবং কথাবার্তা ভাব শুনে মনে হয় যেন বাসার সাহেরি খুনি আবার বাসার সাহেবের কথা শুনে মনে হয় সে একদমই নির্দোষ এবং এ ব্যাপারে সে কিছুই জানে না। নাটকটা এ পর্যায়ে গিয়েই পর্ব শেষ হয়ে যায় জানিনা পরবর্তী পর্বে কি দেখানো হবে বা জানানো হবে। আমি চেষ্টা করে যাব পরবর্তী পর্ব টা আপনাদের মাঝে খুব দ্রুতই শেয়ার করার যাতে করে আপনারাও বুঝতে পারেন। আজার নয় এখানেই শেষ করছি সকলেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে...!!
শিক্ষণীয় দিক-
পিতা বনাম পুত্রগণ নাটকটি মূলত একদম বাস্তবতা অবলম্বনে নির্মিত করা হয়েছে। অনেক আগে গ্রাম অঞ্চলের লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে পিতা মাতারা তাদের সন্তানদেরকে বিয়ে দিতে মোটেও চাইত না। মূলত তারা বিয়ে দিতে চাইতো না কারণ তারা ভাবতে হয়তো অন্য ঘরের মেয়েরা সংসারে আসলে তারা সংসারটা নষ্ট করে দেবে বা তাদের ছেলেরা তাদেরকে ছেড়ে দিয়ে চলে যাবে। কিন্তু ছেলেদেরকে বিয়ে না দিলে তারা যে কতটা উতোলা হয়ে পড়ে সেটা এই নাটকটা দেখলে বোঝা যায়। নাটকের মধ্যে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে বিয়ে করার জন্য বাসার সাহেবের পাঁচ সন্তান খুবই উৎফুল্ল কিন্তু বাসার সাথে তাদেরকে বিয়ে দিচ্ছে না। মূলত এই নাটকের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, সন্তানদেরকে পর্যাপ্ত বয়সে বিয়ে না দিলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
ব্যক্তিগত মতামত-
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই সকাল আহমেদ স্যারকে এত সুন্দর একটি নাটক আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। পিতা বনাম পুত্রবাগ নাটকের মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি এবং শিখছি। আমার মনে হয় এটা একটা বাস্তবধর্মী নাটক যেটা কিনা বর্তমান সময়ের সঙ্গেও কিছুটা মিল রয়েছে। বর্তমান সমাজের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যারা কিনা সন্তানদেরকে দিয়ে দেয় না কিন্তু তার সন্তানেরা বাবা মার কাছে বলতেও পারে না যে তারা বিয়ে করবে। এটাই মূলত নাটকের মূল বিষয়বস্তু। আমি মনে করি এই নাটকটি সকল পিতা-মাতার দেখা উচিত এতে করে তারা এই নাটকের মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।
ব্যক্তিগত রেটিং-
আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। আমার এই পোস্ট পরে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন বলে আশা রাখি। আপনার সুন্দর মন্তব্যই আমার কাজ করার অনুপ্রেরণা
| বিভাগ | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| বিষয় | পিতা বনাম পূত্রগং"পর্বঃ-৮৩ |
| পোস্ট এর কারিগর | @jibon47 |
| অবস্থান | [সংযুক্তি]source |
আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নেম @jibon47। আমি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আব্বু আম্মু আর ছোট বোনকে নিয়েই আমার পরিবার। এই তিনজন মানুষকে কেন্দ্র করেই আমার পৃথিবী।একসাথে সবাইকে খুশি করা তো সম্ভব নয়, তারপরও আমি চেষ্টা করি পরিবারের সবাইকে খুশি রাখার। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে।আমি বর্তমানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাপড়া করছি। আমি গান গাইতে, কবিতা লিখতে, এবং ভাই ব্রাদারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। সত্যি বলতে আমি প্রচন্ড রকমের অভিমানী, হতে পারে এটা আমার একটা বদ অভ্যাস। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব,"আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি।
@jibon47
VOTE @bangla.witness as witness
OR
পিতা বনাম পুত্র গং নাটকের ৮৩ টা পর্ব দেখছি শেষ হয়ে গিয়েছে। আমার কাছে তো অনেক ভালো লেগেছে এই পর্বটা। এই নাটকের বেশিরভাগ পর্বের রিভিউ আমার পড়া হয়েছে। প্রত্যেকটা পর্বের মতো এই পর্ব টাও ছিল অনেক বেশী সুন্দর। এভাবে আশা করি সবগুলো পর্বের রিভিউ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন।
আপনি বরাবরই আমার এই নাটক রিভিউ পোস্ট গুলো পড়েন এবং খুবই সুন্দর মন্তব্য করেন আপনার মন্তব্য পেয়ে আমি খুবই খুশি। ধন্যবাদ এভাবে পাশে থাকার জন্য।
খুবই সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ করেছেন এই নাটকটি আমি দেখেছি। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আপনার রিভিউ পড়ে আরো ভালো লাগলো।
আপনার কাছে আমার এই নাটক রিভিউ এর পোস্ট ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম। আমি সবসময়ই চেষ্টা করি সুন্দর ভাবে রিভিউ তুলে ধরার জন্য। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
এরকম সুন্দর সুন্দর নাটকগুলোর রিভিউ যত পড়ি ততই খুব ভালো লাগে। আপনার শেয়ার করা এই নাটকটির রিভিউ পোস্ট পড়তে আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে। নাটক রিভিউর মাধ্যমে সহজে নাটকের সম্পূর্ণ কাহিনী জেনে নেওয়া যায়, এই বিষয়টা আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। এই কাহিনীটাকে আপনি আজকে এত সুন্দর করে সবার মাঝে উপস্থাপন করেছেন, সবাই রিভিউ পড়লে আর নাটকটা দেখা লাগবেনা। সুন্দর ছিল নাটকটি।
একদম সত্য কথা বলেছেন নাটক রিভিউ এর মাধ্যমে নাটকের কাহিনীটা খুব ভালোভাবে বোঝা যায়। আর আমি সব সময় চেষ্টা করি সুন্দরভাবে রিভিউ তুলে ধরার জন্য যাতে করে সকলের বুঝতে অনেক বেশি সুবিধা হয়। ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।