দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল।
মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। স্টিম ফর ট্রেডিশন কমিউনিটির সকল সদস্যকে জানাই আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজকে আমি আলোচনা করবো ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প নিয়ে।আশা করি আমার পোস্ট পরে আপনাদেরকে ভালো লাগবে।
প্রাচীনকালের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের মধ্যে রয়েছে মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্প। আগে মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্প অনেক ব্যবহার করা হতো। সময়ের সাথে সাথে মানুষ ও পরিবর্তন হয়েছে,তাই এখন মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্প তেমন ব্যবহার করা হয় না। যারা মাটি ব্যবহার করে নানা ধরনের জিনিস তৈরি করে থাকে তাদেরকে বলি কুমার।এরা মাটি দিয়ে অনেক রকমের জিনিস তৈরি করে থাকে। মাটির তৈরি জিনিসপত্রে নানা ধরনের কারুকাজ করা হয়।যা দেখতে অপরুপ সুন্দর লাগে। গ্রামে গাঁয়ে যখন মেলা বসে, তখন নানা ধরনের মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্প বিক্রি করা হয়। মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্পের উপর নানা রকমের কারু কাজ দেখে যেনো সকলের চোখ জুড়িয়ে যায়।
মাটির তৈরি জিনিস গ্রাম বাংলা ঐতিহ্য ছিল। আগে সবার ঘরে ঘরে মাটির জিনিসপত্র দেখা যেত,প্রাচীন কাল থেকে মাটির জিনিস ব্যবহার হয়ে আসতেছে। গ্রাম বাংলার মানুষের মনের সাথে মিশে আছে মাটির জিনিসপত্র। প্রাচীনকালের মানুষ মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিলে ভাত,তরকারি রান্না করে খেত। মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিলে রান্নার অনেক স্বাদ হয়। কিছু বছর আগেও সবার বাড়িতে হাঁড়ি পাতিল পাওয়া যেত।কিন্তু এখন আর আগের মতো সবার বাড়িতে পাওয়া যায় না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বের হয়েছে সিল্বরের তৈরি জিনিসপত্র। এখন মানুষ এগুলাতে ব্যবহার বেশি করে। কারণ মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল হাত থেকে পড়ে গেলে ভেঙ্গে যায়। ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে হাঁড়ি পাতিল ব্যবহার করা বাদ দিয়ে শুরু করেছে সিল্বরের তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার।
মাটির তৈরি জিনিসপত্র তৈরি করে কুমারেরা। যারা তৈরি করে তাদের কে কুমার বলি আমরা। তারা মাটি দিয়ে অনেক কিছু তৈরি করতে পারে।যেমন হাঁড়িপাতিল,কাসা,সরা,মটকা,টাকা রাখা ব্যাংক ইত্যাদি।তারা অনেক সুন্দর ভাবে মাটির জিনিস গুলোতে নকশা তৈরি করে,তাদের নকশা তৈরি দেখে খুব ভালো লাগে। আর আমি আগে দেখেছি ছোটদের খেলার জন্য মাটির তৈরি হাতি,ঘোড়া,পাখি,পুতুল ইত্যাদি অনেক নকশা জাতীয় জিনিসপত্র তৈরি করতো। তাই এগুলাে এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় সব হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন আমাদের কাছ থেকে।
সব ধরনের মাটি দিয়ে মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্পের জিনিস তৈরি করা যায়। তবে মাটির তৈরি মৃৃৎশিল্প বানানোর জন্য পরিস্কার এঁটেল মাটি খুব ভালো। এঁটেল মাটি একটু আঠালো তাই মাটির জিনিস তৈরি করতে এঁটেল মাটি বেস কাজে দেয়।আমি এখানেই মৃৎশিল্প নিয়ে আমার আলোচনা শেষ করলাম।আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আমার লেখায় যদি কোন ভুল হয়ে থাকে আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
হাঁড়ি পাতিল নিয়ে অসাধারণ লেখছেন আপনি, গ্রাম আগে সবার ঘরে ঘরে হাঁড়ি পাতিল ছিল, আগের মানুষ সবাই হাঁড়ির মধ্যে ভাত রান্না করতো, তবে এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় সব কিছু হারিয়ে গেছে, মাটির তৈরি জিনিস গুলো দেখতেও খুব সুন্দর লাগে,মাটির তৈরি জিনিস যারা তৈরি করে তাদেরকে আমরা মৃৎশিল্প বলে থাকি। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে
আগে মাটির তৈরি হাড়ি পাতিলের ব্যবহার অনেক বেশি ছিল।বর্তমানে মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল এর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। কুমাররা অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। লিখেছেন অনেক ভালো, তবে পোস্ট কোয়ালিটির উন্নতি করতে হবে আপনাকে। শুভকামনা রইল
ধন্যবাদ ভাইয়া,,
আগে গ্রামে সবার ঘরে ঘরে হাঁড়ি পাতিল পাওয়া যেত। এখন সবার ঘরে পাওয়া যাবে না। আগে মানুষ হাঁড়ি পাতিলে ভাত তরকারি রান্না করে খাইতো। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির তৈরি মৃৎশিল্পী দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আপনি খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন আপু।আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাইয়া
গ্রাম বাংলার এসব মাটির হাড়ি পাতিল এক সময় খুব বিখ্যাত ছিল কিন্তু বর্তমানে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। কুমোরেরা এসব হাড়ি পাতিল এখন আর তেমন বিক্রি করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ কর করে না। কারণ তারা জানে যে এসব জিনিসের দাম এখন দিন দিন কমে যাচ্ছে। খুব সুন্দর উপস্থাপন করেছেন আপনি খুব সুন্দর লিখেছেন খুব সুন্দর ছবি তুলেছেন ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির তৈরি আসবাবপত্রগুলো আমাদের ঐতিহ্যের সাক্ষী। কুমারেরা অনেক যত্ন সহকারে এসব আসবাবপত্রী তৈরি করে। আগের দিনে এই মাটির তৈরি আসবাবপত্র ব্যবহার করা হতো গৃহস্থালির কাজে। রান্নার জন্য এই মাটি হাঁড়ি পাতিল ব্যবহার করা হতো। মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিলের রান্না খুবই সুস্বাদু। আপনি অনেক সুন্দর সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে
মৃৎশিল্পের তৈরিকৃত হাড়ি পাতিল নিয়ে অনেক সুন্দর লিখেছেন। গ্রাম বাংলার এই হাঁড়ি পাতিল কালের বিবর্তনে আমাদের মাঝ থেকে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
দিন দিন এই মৃৎশিল্প হারিয়ে যাওয়ার পথে। কাঁচা মালের অভাব এবং এগুলোর ব্যবহার কম হওয়ার ফলে দিন দিন এগুলো বিলুপ্তির পথে। কুমারেরা অনেক সুন্দর করে মাটির বিভিন্ন রকমের জিনিস তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। ধন্যবাদ আপনাকে এত ঐতিহ্য বাহী একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।
ধন্যবাদ
Your post has been supported with a 30% upvote by @ashkhan from TEAM 2 of the Community Curation Program. We invite you to continue sharing quality content on the platform, and continue to enjoy support, and also a likely spot in our weekly top 7.
Thanks
প্রাচীন কাল থেকে আমাদের দেশে মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল ব্যবহার হয়ে আসছে। মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল আমাদের দেশের জন্য একটি ঐতিহ্য। কিন্তু প্রযুক্তির ভিড়ে তা আজ অব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছে।মানুষ এখন সিলভার স্টিল ব্যবহার করে থাকে এই পাতিলের পরিবর্তে। আপনি অনেক সুন্দর উপস্থাপন করেছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে