গল্প :- প্রতারকের কথা হয় মিষ্টি।
ক্যানভা দিয়ে তৈরি,
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব গল্প শেয়ার করব। আশা করবো গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের চারপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক বিষয় রয়েছে। এজন্য এই সকল বিষয়গুলো আপনাদের শেয়ার করলে আপনারাও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এমনকি অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন। এইজন্য আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এখন মানুষের আসলে ভরসা নেই। একেকজন একেক ধরনের, এবং একেক জন একেক ধরনের মানসিকতার।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে বাস্তব একটি ঘটনা শেয়ার করব। আপনারা হয়তো অনেকে জানেন আমি একটি মাদ্রাসায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করি। যদিও মাদ্রাসাটি আমাদের বাড়ির সামনে প্রতিষ্ঠান। আর এই মাদ্রাসাটি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান। আমাদের এই মাদ্রাসায় অফিসে একটি মোবাইল আছে। এবং পুরনো একটি সিম আছে মোবাইলে। এই মোবাইলে ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক এবং কারো দরকার হলে যোগাযোগ করে মোবাইলটিতে। যদিও এই নাম্বারটি মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকদের খুব পরিচিত নাম্বার। কিছুদিন আগে সকালবেলা হঠাৎ করে মাদ্রাসা চলাকালীন একজন মহিলা মোবাইলটিতে ফোন করলেন। যদিও ওই সময় আমি ক্লাসে ছিলাম।
আমাদের মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক অফিসে ছিলেন সেই কথা বলতেছেন মহিলার সাথে। আমাদের প্রধান শিক্ষক মনে করলেন হয়তোবা কোন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক। এমন সময় প্রধান শিক্ষক জিজ্ঞেস করতেছে আপনি কে কোন ছাত্র এর গার্জিয়ান। এমন সময় মহিলাটি বলতেছে আমি মিমের মা। হঠাৎ করে একটি মেয়ের নাম বল। এবং বলতেছে আমার মেয়ে অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি আছে। তার জন্য দোয়া করবেন। এবং আমাদের প্রধান শিক্ষক শুনে দোয়া করতেছেন এবং আফসোস করতেছেন। এবং প্রধান শিক্ষক অনেক আফসোস করতে লাগলো।
এরপর মহিলাটি ফোন কেটে দিলেন। পাঁচ মিনিট পর আবার মোবাইল করে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলেন। বলতেছে আমার মেয়ের অবস্থা তেমন ভালো না হুজুর দোয়া করি। প্রধান শিক্ষক বলল দোয়া করি যেন সে সুস্থ হয়। এবং প্রধান শিক্ষক বলতেছে আপনার মেয়ে কোন ক্লাসে পড়ে। মহিলাটি বলতেছে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়তেছে। এরপর মহিলাটি আবার মোবাইল কল কেটে দিলেন। ওই সময় অফিসে আর কেউ ছিলেন না শিক্ষক এর মধ্যে। এরপর ৭-৮ মিনিট পর মহিলাটি আবার কল করলেন। তখন প্রধান শিক্ষক বলতেছে আপনার মেয়ের কি অবস্থা। তখন মহিলাটি বলতেছে আমার মেয়ের অবস্থা ভালো না টাকা লাগবে।
কারণ এখন ব্যাংকের অবস্থা ভালো না। এবং আমাদের প্রধান শিক্ষককে বলতেছে আমি একটা নাম্বার দিতেছি এই নাম্বারে ২০ হাজার টাকা দিন আমার মেয়ে চিকিৎসার জন্য। আমি হাসপাতাল থেকে আসলে আপনাদের টাকা দিয়ে দেব। তখন আমাদের প্রধান শিক্ষক বলতেছে আমাদের কাছে তো এখন এত টাকা নেই দেখতেছি কিছু টাকা ব্যবস্থা করে দেব। কারণ আমাদের মাদ্রাসার ছাত্রী এই বলে। এরপর আমি হঠাৎ করে অফিসে আসলাম দরকারে। ওই সময় প্রধান শিক্ষক ১০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠানোর জন্য যাইতেছে। তখন আমাকে দেখে কথা বলতে লাগলো।
এবং বলতেছে দ্বিতীয় শ্রেণীর মিমের অবস্থা ভালো না। হাসপাতালে ভর্তি আছে তার মা আমার সাথে কথা বললেন। তখন আমি প্রধান শিক্ষক কে বলতেছি কি বলেন মিম তো ক্লাসে আছে। সেই ক্লাস করতেছে। প্রধান শিক্ষক শুনে কি বলেন। কোন মিম একটু অফিসে নিয়ে আসেন। এরপর আমি ছাত্রী মীমকে অফিসে নিয়ে আসলাম। এবং প্রধান শিক্ষক জিজ্ঞেস করতেছে তোমার নাম কি মিম। মেয়েটি বলতেছে হ্যাঁ আমার নাম মিম। তোমার মা এখন আমাদের মোবাইলে কল করলো তোমার অসুস্থর কথা বললেন।
(প্রথম পর্ব)
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1851961407006478774?t=X-doTiJcNFv_msYl8BDn9A&s=19
খুব সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে আপনি আমাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আপনার এই গল্প করতে ভাল লাগল আমার। আসলে প্রতারকের কথা সবসময় মিষ্টি হয়ে থাকে। কারণ প্রতারক চাই তার সুকৌশল দ্বারা মানুষকে প্রতারিত করতে। তবে যাই হোক আসলে কি মিমের মা ফোন দিয়েছিল নাকি অন্য কেউ সে বিষয়টা এখন জানার বিষয়।
হ্যাঁ আপু প্রতারক গুলো সুকৌশল দ্বারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে। ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য শুনে।
এজাতীয় সচেতন মূলক পোস্টগুলো আমি খুবই পছন্দ করে থাকি। কারণ এ জাতীয় পোস্টগুলো পড়লে অনেকেই অনেক কিছু জানতে পারে এবং সজাগ হতে পারে। হয়তো মিমের আম্মা নাও হতে পারে আবার হতেও পারে তবে চিহ্নিত করতে হবে তার উদ্দেশ্য কি এবং কে সে।
আসলে ভাইয়া পরের পর্বে সবকিছু ক্লিয়ার জানতে পারবেন। ভালো লাগলো আপনার চমৎকার মন্তব্য শুনে।
হ্যাঁ প্রতারকের কথা এমনিতে বৃষ্টি হয়। তারা কথা দিয়ে মানুষকে জাদু করে। আপনাদের মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষককে ফোন করে ছাত্রীর অসুস্থর কথা বললেন। তবে এখানে বিষয় হচ্ছে মিমের আম্মা নাকি অন্য কোন লোক। আর আপনাদের অফিসের নাম্বারে কল করলেন মহিলাটি। আসলে এখানে আমার কাছে মনে হচ্ছে কোন জটিল কিছু হবে। যাই হোক আপনার পরের পর্বে অপেক্ষায় আছি কি ঘটে জানতে।
আসলে কিছু লোক আছে মিষ্টি কথা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা করে। গল্পটি নিয়ে সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপনি।
আসলে চারপাশে প্রতারণার প্রকোপ এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে সব সময় আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। মাদ্রাসাতেও দেখছি একই অবস্থা ভাইয়া। সচেতনতা আমাদেরকে বিপদমুক্ত রাখতে পারে। তবে এই প্রতারক মানুষগুলোকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
কথাটি ঠিক বলেছেন প্রতারক মানুষগুলোকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। ভালো থাকবেন আপু।
আপনি ঠিক বলেছেন ভাইয়া প্রতারকের কথা সব সময় মিষ্টি হয়।আসলে এরা মানুষকে অনেক মিষ্টি করে কথা বলে যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। আর সবাই তাদের কথাই বিশ্বাস করবে।যাইহোক টাকা গুলো তো দেয়নি দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আপু প্রতারকের কথা মিষ্টির কারণে অনেকে বিশ্বাস করে। ভালো থাকবেন আপু সব সময়।
আসলে প্রতারক মানুষ গুলো ঠিক এরকমই হয়ে থাকে। তাদের উপরের দিক থেকে ভালো কিন্তু ভেতরটা থাকে অনেক ভয়ঙ্কর। তারা এমন ব্যবহার করে যেন মনে হয়, তাদের থেকে ভালো মানুষ এই দুনিয়ায় আর একটাও পাওয়া যাবে না। এখন অপেক্ষায় থাকলাম এই গল্পটার দ্বিতীয় পর্ব পড়ার জন্য।
আসলে প্রতারক মানুষ গুলোর ব্যবহার মানুষকে মুগ্ধ করে। আর তাদের উপরে এবং ভিতরে রূপ গুলো ভিন্ন। ভালো থাকবেন আপু।
প্রতারককে চেনা যায় তবে প্রতারিত হওয়ার পরে। কারণ প্রতারকেরা এত বেশি বুদ্ধিমান হয় যে আমাদেরকে সব সময় বোকা বানিয়েই যায়।এতো সুন্দর বাস্তবভিত্তিক একটি বিষয় নিয়ে আমাদের সামনে আলোচনা করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।