"চালকুমড়ার বড়া দিয়ে ওলের ডাটার রেসিপি"
নমস্কার
চালকুমড়ার বড়া দিয়ে ওলের ডাটার রেসিপি:
চালকুমড়ার বড়া ,যেটি খেতে ভীষণই সুস্বাদু।আর গ্রামবাংলার অনেক জনপ্রিয় একটি বড়া।এটি আমরা বাড়ির চাল কুমড়া দিয়েই তৈরি করেছিলাম।এখন যেহেতু ওলগুলি পরিপক্ক হয়ে গিয়েছে তাই গাছগুলি কেটে ওলগুলি তুলে নেওয়া হচ্ছে। তাই ভাবলাম শেষবারের মতো আরো একবার ওলের ডাটা খাওয়া হোক।তবে কীভাবে রান্না করবো সেটা ভাবতে ভাবতেই চাল কুমড়ার বড়ার কথা মনে পড়লো।খুবই সুস্বাদু একটি সবজি এটি,তাছাড়া বেশ উপকারীও বটে।যাইহোক আমি এটির সঙ্গে আলু দিয়ে নিরামিষ করেছি।মাঝে মাঝেই মাছ ছাড়াই তরকারি খেতে ভালো লাগে।আশা করি রেসিপিটি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।তো চলুন শুরু করা যাক---
উপকরণসমূহ:
2.আলু- 6 টি
3.চাল কুমড়ার বড়া
4.লবণ-1.5 টেবিল চামচ
5.কাঁচা মরিচ কুচি- 7 টি
6.হলুদ- 1 টেবিল চামচ
7.পেঁয়াজ কুচি- 2 টি
8.রসুন- 2 কোয়া
9.জিরে বাটা- 1 টেবিল চামচ
10.শুকনো মরিচ বাটা- 1 টেবিল চামচ
11.জিরে ও ধনিয়া গুঁড়া- 1 টেবিল চামচ
12.টমেটোর সস- 2 টেবিল চামচ
7.সরিষার তেল- 4 টেবিল চামচ
8.পাঁচফোড়ন-1/3 টেবিল চামচ
9.জল
প্রস্তুত-প্রণালী:
ধাপঃ 1
প্রথমে আমি ওলের ডাটার আশ ছাড়িয়ে গোল গোল কুচি করে কেটে নেব।
ধাপঃ 2
এবারে আলু কেটে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নেব সবকিছু।
ধাপঃ 3
এখন কিছু চাল কুমড়ার বড়া নিয়ে নেব।
ধাপঃ 4
এরপর একটি পরিষ্কার কড়াইতে সামান্য পরিমাণ লবণ ও হলুদ মিশিয়ে চুলায় বসিয়ে দেব মিডিয়াম আঁচে।
ধাপঃ 5
এখন লবণ ও হলুদ মেশানো জল হালকা গরম করে নিয়ে তার মধ্যে চাল কুমড়ার বড়া দিয়ে দেব।
ধাপঃ 6
এবারে আলু ও ওলের ডাটা কুচি দিয়ে দেব জলের মধ্যে।তারপর নেড়েচেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে সেদ্ধ করে নেব।
ধাপঃ 7
এরপর সবকিছু সেদ্ধ করা হয়ে গেলে জল ঝরিয়ে নেব।
ধাপঃ 8
এখন ওলের ডাটার মধ্যে যেহেতু জল ঢোকে তাই ভালোভাবে হাতের সাহায্যে চিপে ফেলে দেব জলগুলি।
ধাপঃ 9
এরপর আবারো পুনরায় কড়াইতে তেল দিয়ে হালকা গরম করে নিয়ে তার মধ্যে পেঁয়াজ কুচি ও ঝাল দিয়ে দেব।
ধাপঃ 10
এবারে পেঁয়াজ ভাজি হয়ে গেলে রসুন, বাটা মসলা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে দেব।
ধাপঃ 11
এখন একটু টমেটোর সস দিয়ে মসলাগুলি কষিয়ে নেব ভালোভাবে।
ধাপঃ 12
এরপর কষানো মসলার মধ্যে সেদ্ধ করা বড়া,আলু ও ওলের সেদ্ধ করা ডাটা দিয়ে দেব।
ধাপঃ 13
এখন সবকিছু ভালো করে একত্রে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নেব মসলার সঙ্গে।তারপর অল্প করে জল দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে দেব কয়েক মিনিটের জন্য।
ধাপঃ 14
এরপর রান্নার শেষ পর্যায়ে দিয়ে দেব ধনিয়া ও জিরের গুঁড়া মসলা।
শেষ ধাপঃ
সবশেষে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নেব তরকারিটি একটি পাত্রে।তো তৈরি করা হয়ে গেল আমার "চালকুমড়ার বড়া দিয়ে ওলের ডাটার রেসিপি"।
পরিবেশন:
এখন এটি গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।এটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি খেতে খুবই সুস্বাদু ও মজাদার হয়েছিলো।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টুইটার লিংক
টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক--
https://x.com/green0156/status/1982023714960289938?t=ihz90V4bNF4kM6Zjq_1ghA&s=19
https://x.com/green0156/status/1982025215052779603?t=UzOuKBnMW312Cw3crzyUYw&s=19
এটা তো বেশ মজাদার একটা রেসিপি। চাল কুমড়ার বড়া দিয়ে খুবই সুন্দর করে ওলের ডাটার মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন এই রেসিপিটিও আজকে এই প্রথম দেখলাম আপনার পোস্টে। ফাইনাল আউট লুক দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল অবশ্যই যারা খেয়েছিল তারা আপনার অনেক প্রশংসা করেছিল।
হ্যাঁ ভাইয়া, খুবই মজার হয়েছিলো খেতে।আর ওলের ডাটাগুলি যেন মিলিয়ে গিয়েছিল কোথায়।ধন্যবাদ আপনাকে।
এরকম রেসিপি আগে কখনোই দেখা হয়নি৷ আপনার কাছ থেকে প্রথম এরকম একটি রেসিপি দেখতে পেলাম৷ যেভাবে আপনি আজকের এই সুস্বাদু রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা দেখতে যেরকম সুস্বাদু মনে হচ্ছে৷ তেমনি খেতেও অনেক বেশি সুস্বাদু হবে বলে মনে হয়৷ এখানে যেভাবে আপনি এত সুন্দরভাবে সবকিছু আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এটিকে দেখে এখন এখান থেকে নিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করছে৷
তাই,এখান থেকে নিয়ে খাওয়া তো সম্ভব নয় তবে আপনি বাসায় ট্রাই করে দেখতে পারেন ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনাকে।
বেশ মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। রেসিপির কালারটা আসলেই দারুণ এসেছে। গরম গরম রুটি দিয়ে এই ধরনের রেসিপি খেতে আমার খুব ভালো লাগে। যাইহোক এতো লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া, রুটি দিয়েও ভালো লাগবে রেসিপিটি।ধন্যবাদ আপনাকে।
আজকে আপনি মজার রেসিপি করেছেন। চাল কুমড়ো ও আলু এবং ওলের ডাটার রেসিপি বানিয়েছেন। আর মাছ মাংস সব সময় খেতে মন চায় না অনেকের। আর এ ধরনের রেসিপি হলে তো সব খেতে মজা লাগে। ভালো লাগলো আপনার এই ছবিটি দেখে।
ধন্যবাদ আপু,আপনার অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য।