জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়তে হবে। কেননা বইয়ে জ্ঞানের ধারক ও বাহক।//10% Beneficiaries @shy-fox



বই আমাদের জীবনের মস্তিষ্কের চাবি। কেননা বই না পড়লে জ্ঞান অর্জন করা অসম্ভব'। তাই সবাই বলে থাকে এই বইয়ে জ্ঞানের ধারক ও বাহক। সব সময় জীবনের সাথী ও সবচেয়ে পরম বন্ধু হল বই। একটি মানুষ যদি লেখাপড়া না জানে, যদি কোন কিছুই পড়তে না পারে। তাহলে আমি মনে করি পৃথিবীতে তার কাছে অন্ধের মত। কেননা সে দেখেও দেখছে না। শিক্ষা অর্জন করা আমাদের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেননা শিক্ষা অর্জন করলে অনেক জ্ঞানের ধারণা পাওয়া যায়।



0001-7550734030_20210910_005101_0000.jpg

Canva দিয়ে তৈরি।



এখনকার ছেলেমেয়েরা আমরা বেশি বই পড়তে চাই না। সবাই টাকা ও চাকরির পিছনে ছুটছে। সবাই মনে করে বই পড়ে হবে কি। কোনভাবেই পাশ করলেই চলবে। আর পাশ করে বের হলেই অনেক অনেক টাকা দিয়ে চাকরি নিচ্ছে। এসব ঘুষের কারণে আমাদের দেশের লেখাপড়া অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে।

আগে দাদুরা SSC পাস করে অনেক কিছু জানতে পাওয়া নেক বিষয়ের উপর পারদর্শী ছিলেন। আর এখনকার এসএসসি পাস করা ছেলেমেয়েরা তেমন বেশি কিছু জানে না । তাদের মধ্যে আমাদের অনেক পার্থক্য ‌।

তাই আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা টাকার পিছনে ছুটে গিয়ে ভালো কোন স্থানে জায়গা করে নিতে পারে না। হ্যাঁ কেউ কেউ আছে ভালোভাবে লেখাপড়া করে, যেমন 100% এর ভেতর 20% ছেলেমেয়েরা হয়ত ভালোভাবে লেখাপড়া করে। আর বাকিগুলা সেভাবে লেখাপড়া করে না।

আমাদের ক্লাসের চার বার বার বলতো যে। যাদের দ্বারাই লেখাপড়া হবে যাদের লক্ষ্য আছে । কারণ কোন কিছু পৌঁছাতে গেলে লক্ষ্য দরকার । আর যার এই লক্ষ্য আছে সেই সফল হতে পারবে। যেমন ধরেন আমার শখ ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। এখন আমাকে জানতে হবে ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে কি কি পড়তে হবে কি কি জানতে হবে এগুলো। এখন মানুষ এটা ভাবেনা। টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নাম অর্জন করে। তাদেরকে যদি কোনো এক কর্ম ক্ষেত্রে কাজ দেওয়া হয় তারা পারেনা।

পরবর্তীতে গার্জিয়ানেরাও শিক্ষকদের ওপর বা প্রতিষ্ঠানের ওপর এই দোষের ভাঁড় ফেলে দেয়। আমি মনে করি শিক্ষকদের বা প্রতিষ্ঠানের কিছু দোষ নেই। দোষ আপনাদের মতোই সাধারণ মানুষের। কেননা আপনি চাইলে আপনার ছেলে-মেয়েদের ভালো করতে পারতেন। ছোটবেলা থেকে যদি ছেলেমেয়েদেরকে বই পড়ার অভ্যাস তো করলেন হয় তাহলে ছেলেমেয়েরা উন্নতির দিকে ধাবিত থাকলো হয় ।

আমরা অনেক সময় নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস পাইনা বা নিজেকে অবিচার করে ফেলি। নিজেকে বুঝতে অনেক ভুল করে থাকি অনেক সময় সিদ্ধান্ত নিতে অনেক ভুল করে থাকি। আমাদের সামান্য একটু সিদ্ধান্ত ভুলে জীবনে অনেক বড় ক্ষতি করে থাকি।

নিজেকে সব সময় নেগেটিভ দিক তাই ভাবেন। যে ওই কাজটা পারবোনা ,আমার দ্বারায় ওই কাজটা হবে না , কাজটা খুব কঠিন , বইয়ের এতগুলা পিসটা কিভাবে পড়বো, আমার দ্বারায় হবেনা এগুলো বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ চিন্তা করে থাকি। আপনি নিজেকে যেভাবে মূল্যায়ন করেছেন এটাকে পজিটিভ ভাবে মূল্যায়ন করুন। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন, কি জন্য ওই কাজটা আমি পারবো না, কি জন্য ওই কাজটা আমার দ্বারায় হবেনা, অন্যজন যদি পারে আমি কি জন্য পারবো না। যে পাঠিয়েছে সেও মানুষ আমিও মানুষ। সে যদি পারে আমি কি জন্য পারব না এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে বা পজিটিভ চিন্তা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

ধরুন আপনি

আপনার কাজ কি ও নিজেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। কেননা আপনার কথা এবং কাজ যদি এক না হয় আপনি জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারবেন না। যেমন আপনি মনে করতেছেন যে আমি কালকে ওই কাজটা করব। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে কালকে ওই কাজটা করলেন না। তাহলে আপনার কথা ও কাজের কোন মিল থাকলো না । তাই যে কাজটা করতে চাচ্ছিলেন সেটা আর হলো না।

আমাদের সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবা উচিত বা সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তারপর সারাদিনটা কি কি কাজ করতে পারেন তার ভিত্তিতে আপনার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাজ গুলো আগে শুরু করুন। সবগুলো কাজ সেরে ফেলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভেবে দেখুন কাজগুলো কি সঠিকভাবে করেছেন নাকি কোন ভুল ত্রুটি রয়েছে। কাজগুলো সফলভাবে করতে পেরেছেন কিনা। সফল কাজগুলো করা আনন্দ আপনি উপভোগ নিশ্চয়ই করবেন। আজকের কাজের ভুলগুলো পরবর্তীতে যেন কালকে না হয় তাও ভেবে রাখা উচিত।

আমাদের এমন কাজ খুঁজে বের করতে হবে যা আমাদের জীবন নির্বাহের সেরা উপায় হয়। ব্যবসা কে দ্রুত প্রসারিত করতে হবে যেন তাড়াতাড়ি লাভবান হওয়া যায় এবং জীবনকে সাবলীল ও অর্থপূর্ণ করে তোলা যায়।

আর আপনি যদি আপনার জীবনকে আনন্দময় রাখতে চান বা জীবনকে খুশি রাখতে চান তাহলে বেশি বেশি করে বই পড়তে হবে। কেননা বই পড়লে নিত্য নতুন কোন শেখা যায় বা জানা যায় যা আমরা আগে কোনদিন দেখিও নি বা জানিও না। কোন কাজ যদি আমরা নতুন করে শুনি বা করে থাকি সেই কাজটা যদি সাফল্য অর্জন হয় তাহলে মনের ভেতর কি যে আনন্দ টাই হয় কল্পনার বাইরে।

তাই নিজেকে ভালোভাবে প্রতিষ্টিত করতে গেলে জ্ঞানের প্রয়োজন অপরিসীম। আর এই জ্ঞান অর্জন আসে বই থেকে। তাই জ্ঞান অর্জন করতে হলে বেশি বেশি করে বই পড়তে হবে বা জানতে হবে।

তো বন্ধুরা আজকের মনে এখানেই শেষ ‌। সবাই ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এবং নিজের প্রতি খেয়াল রাখবেন।




20210618_231449.jpg

আমি মোঃ ইব্রাহিম ইসলাম নাহিদ। আমাকে সবাই নাহিদ বলেই ডাকে। আমি বাংলাদেশী । আমি একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বই পড়তে , লিখতে ও নতুন কিছু সৃষ্টি করতে ভালোবাসি।নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি।




Sort:  
 5 years ago 

জীবনে কিছু করতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম হলো বেশি বেশি বই পড়া।ভাই আপনার কথা গুলো বাস্তব ভিত্তিক। সুন্দর সুন্দর কথা বলেছেন। জীবনের সফলতার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় মুলক কথা।

এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই । আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

সুন্দর পোস্ট ভাইয়া। জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়া অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.078
BTC 61583.79
ETH 1637.38
USDT 1.00
SBD 0.41