লাইফ স্টাইল :- রকি ভাইয়াদের বাড়িতে মাকসুদা আপুর সাথে জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। তাই আজকে বাংলা ব্লগের পরিবারের কাছে একজন মানুষের সাথে কাটানো কিছু মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশাকরি আমার পোস্টটি দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব রকি ভাইয়াদের বাড়িতে মাকসুদা আপুর সাথে খাওয়া-দাওয়া করার মুহূর্ত। এইবার ঈদে মোটামুটি এই দিক ওই দিক ঘুরাঘুরি করলাম। ঈদের দিন বিকাল বেলা আমার বড় ননদের বাড়িতে গেলাম তাকে দেখার জন্য। মূলত সে অসুস্থ অনেকদিন যাবত তাকে এবং ঈদ উপলক্ষে গেলাম তাদের বাড়িতে। আর তাদের বাড়িতে গিয়ে মোটামুটি সবার সাথে ভালোভাবে সময় কাটাতে লাগলাম। এবং অনেক রাত্রে যখন রকি ভাইয়ের সাথে কথা বলতে লাগলাম তখন শুনতে পেলাম মাকসুদা আপু ফেনীতে আসতেছে এবং ভাইয়াদের বাড়িতে। সত্যিই শুনে অনেক অনেক ভালো লাগলো। কারণ প্রিয় আপুর সাথে দেখা হবে এ কথা ভেবে সত্যি নিজের কাছে অন্যরকম ভালো লাগার কাজ করল।
এবং রাত্রে যখন ঘুমালাম চিন্তা করলাম কখন সকালবেলা হবে। আর সকাল বেলা হওয়ার সাথে সাথে হালকা নাস্তা করে রেডি হয়ে আমরা রকি ভাইদের বাড়িতে গেলাম। কারণ মাকসুদা আপুর সাথে দেখা করব প্রথম ছিনতাই ছিল। অন্যান্য কথা পরে বলব অন্য পোষ্টের মধ্যে। রকি ভাইয়াদের বাসায় যাওয়ার পর আপু এবং আন্টির সাথে দেখা করার পর পরে মাকসুদা আপুর সাথে দেখা করার জন্য তাদের কাছে গেলাম। মজার বিষয় হচ্ছে মাকসুদা আপুকে যখন সালাম দিয়ে কথা বললাম। তখন মাকসুদা আপু হাই হ্যালো বলে কথা বলল। যখন আমার হাজব্যান্ড সামনে গেল তখন মাকসুদা আপু দেখে দেখে চিনতে পারলো জামাল। এরপরে আমাকে দেখে পরে চিনতে পারল। মজার ঘটনা মাকসুদা আপু প্রথমে আমাকে চিনতে পারে নাই।
এরপর মাকসুদা আপুর সাথে বসে অনেকক্ষণ কথা বলতে লাগলাম। তার হাসবেন্ড ও খুব ভালো মানুষ তার সাথেও কথা বললাম আমি আমার হাজব্যান্ড। দুপুর বেলা ভাইয়ারা সবকিছু আয়োজন করেছে খাওয়া-দাওয়া করার জন্য। এরপর আমরা সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া করার জন্য বসলাম। প্রথমে খাওয়া-দাওয়া ওগুলো সবগুলো বড় টেবিলের মধ্যে নিয়ে এসে রেডি করল আমাদের সোনিয়া আপু। তারপর আমরা সবাই একসাথে বসে খেতে বসলাম। এবং খাওয়া দাওয়া করতে করতে সবাই ভালই কথাবার্তা বলতে লাগলাম। আর খাওয়া-দাওয়া গুলো খুব মজা হয়েছে। আমাদের প্রিয় মাকসুদা আপুও বলেছেন খাওয়া-দাওয়া গুলো মজা হয়েছে।
তবে এক এক করে সবগুলো খাওয়া দাওয়া টেস্ট করলাম। আর খেতে খেতে আমরা আমাদের ব্যক্তিগত অনেক কথা জিজ্ঞেস করতে লাগলাম। আর আমার প্রিয় সোনিয়া আপু সুন্দর করে আপ্যায়ন করতে লাগলো সবাইকে। এবং আমার হাজব্যান্ড বসে বসে নিচের দিকে তাকিয়ে আরামসে খাওয়া খেতে লাগলো। তার কাছে খাওয়া-দাওয়া ওগুলো খুব মজা লাগলো। সত্যি বলতে এই প্লাটফর্মে কিছু সদস্য একসাথে খাওয়া দাওয়া করতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগলো। আর এরকম মুহূর্ত গুলো আসলে নিজের কাছে অন্যরকম ভালো লাগে। এবং আমাদের মাকসুদা আপু খুব মিশুক একজন মানুষ। সেই সবার সাথে কথা বলতেছে হাসিমুখে।
মনে হয় যুগ যুগ ধরে আমরা সবাই পরিচিত এবং রক্তের বাঁধনে আবদ্ধ। আর খেতে খেতে আরো মজার মজার কথা বলতে লাগলাম। এভাবে একসাথে বসে আমরা খাওয়া-দাওয়া করলাম। তবে আপুর কথাগুলো আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। কারণ খাওয়া দাওয়া করতে করতে অনেক ধরনের কথা বলল। সত্যি বলতে মাকসুদা আপুর কথা যেমন অসাধারণ এবং ব্যক্তি হিসেবে আপুকে আমার অনেক ভালো লাগলো। আর ঐদিন একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত গুলো সত্যি অনেক দিন মনে থাকবে। কারণ এই সময় গুলো কখন আবার আসবে সেটা নিজেও জানিনা। এবং আমরা সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া করতে পেরে নিজের কাছে যেমন ভালো লাগলো। এবং প্রিয় মাকসুদা আপুকে আমাদের পাশে পেয়ে নিজের কাছে অন্যরকম ভালো লাগলো। এই হচ্ছে মাকসুদা আপুর সাথে রকি ভাইয়াদের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করার মুহূর্ত। আশা করি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের কাছে মোটামুটি ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
https://x.com/bdwomen2/status/1909248808506257562?t=yes80I5NdiSlrJuBrgE0dA&s=19
সত্যি আপনারা সবাই এক সাথে মিলে খাওয়া করেছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে প্রিয় মানুষ গুলোর একসাথে এভাবে দেখা হলে অনেক ভালো লাগে। আগে জানলে আমি ও চলে যেতাম হা হা হা।আপনাদের খাবার গুলো দেখে লোভ সামলানো মুশকিল। একদিন অবশ্যই চলে আসবো।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
https://x.com/bdwomen2/status/1909297554023649434?t=WERH6fiCL3wywCEaZddmrg&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1909298648313479172?t=qlSvX0lQWp9G5M8gK-sOdw&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1909249537857794310?t=nfQmNmKyCpl0JSty21tR_w&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1909299386041143640?t=MpaZ0ZYHH3cj43q6-dUUcw&s=19