লাইফ স্টাইল :- হাজব্যান্ড এবং মেয়ের সাথে খাওয়া-দাওয়ার সুন্দর একটি মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। ইতিমধ্যে সবার লেখার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি উৎসাহ পেয়েছি। আমি নিজে ও সুন্দর পোস্ট গুলো সব সময় করার চেষ্টা করি। কেউ খাওয়া দাওয়া সুন্দর একটি মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আশা করি আজকের পোস্টটি দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
অনেকদিন পরে বাবার বাড়িতে কিছুদিন আগে বেড়াতে আসতাম। আসলে মাঝখানের সময় আমার শ্বশুর ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাই তেমন কোথাও বেরোনো হয়নি আর। কারণ আমার শ্বশুর-শাশুড়িকে অসুস্থ রেখে কোথাও যেতে পারি না। এখন ঈদের পরে যখন আমার শশুর একটু সুস্থ হলো তখন আমি আর আমার হাজব্যান্ড ভাবলাম আমার বাড়িতে কয়েকদিন বেড়াতে যাব। ঠিক তেমনি আমরা ঈদের ৮-১০ দিন পরে আমার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসলাম। তাই একদিন বিকেলে আমার হাজবেন্ড বলল কেন বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসি অনেকদিন ঘুরাঘুরি হয়নি।
তারপর আমরা বিকেলে রেডি হয়ে চলে গেলাম আমাদের দাগনভূঞা বাজারে। তারপর দুজন মিলে প্রথমে গেলাম একটি রেস্টুরেন্টে যেটার নাম ছিল চায়ের বাড়ি। আসলে এই রেস্টুরেন্ট টা নতুন হয়েছিল। আমার কাছে রেস্টুরেন্টে নামটা ভীষণ ইউনিট লেগেছিল। তাই ওখানে গিয়েছিলাম প্রথমে কিছু খেতে। কিন্তু দুঃখের বিষয় কি বলব আর ওখানে গিয়ে দেখলাম এত ভিড় যেখানে আমরা দাঁড়াতে ও পারছি না। তাই আমরা এত ভিড়ের মধ্যে আর না দাঁড়িয়ে থেকে অন্য কোন রেস্টুরেন্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আসলে এত ভিড়ের মধ্যে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে সেটা বলা মুশকিল। ওই যে স্টুডেন্ট টা নতুন হবার কারণে ভিড় একটু বেশি ছিল।
তারপর আমরা পাশের আতাতুল স্কুলের মাঠে গিয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছিলাম। আসলে ওখানকার চারপাশ অনেকটাই খোলামেলা ছিল। আমার মেয়ে ওখানে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করে খেলাধুলো। কিন্তু দুঃখের বিষয় ওখানকার কিছু ছবি আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারলাম না। তারপর ওখান থেকে কিছুটা দূরে একটি রেস্টুরেন্টে আমরা গিয়েছিলাম। ওখানে কাবাব, চিকেন চাপ, বিরিয়ানি আরো কয়েক আইটেমের জিনিস পাওয়া যায়। কিন্তু আমার কাছে চিকেন চাপ আর বিরিয়ানি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। তাই আমরা ওখান থেকে চিকেন চাপ অর্ডার দিলাম। আমাদের খাবার আসতে আসতে আমি আমাদের কয়েকটি সুন্দর ছবি তুলে নিলাম।
কোথাও খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে ছবি তুলতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদেরও খাবার চলে আসলো। চিকেন চাপ গরম গরম পরোটা দিয়ে খেতে বেশ মজা লাগলো। আমার মেয়ে তো অন্য কিছু না খেয়ে শসা খেতে বেশ পছন্দ করে। তাই আবার তার জন্য শসা নিয়ে আসতে বললাম। তারপর আমরা বেশ গল্প করতে করতে চিকেন চাপ আর পরোটা খেতে লাগলাম। আমার হাজব্যান্ড কিন্তু আমার থেকেও আমার মেয়ের কেয়ার অনেক বেশি করে। কোথাও গেলে তাকে কোলে নেওয়া খাবার খাওয়ানো সবকিছুই আমার থেকেও আমার হাজব্যান্ড বেশি খেয়াল রাখে।
এই জিনিসটা আমার কাছে একটু বেশি ভালো লাগে। তাদের বাবা মেয়ের মিলটা অনেকটাই বেশি। তারপর আমরা ওখান থেকে খাওয়া-দাওয়া করে বাইরে চলে আসতাম। তারপর অন্য দোকান থেকে মাইসুনের বাবা তার জন্য কিছু খাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিনে নিল। তারপর আমরা একটি রিক্সা করে বাড়িতে চলে আসলাম। কারণ সিএনজি থেকেও আমার কাছে রিক্সায় চলাচল করতে একটু বেশি ভালো লাগে। চারপাশের মুক্ত বাতাস অনেক উপভোগ করা যায়। যাইহোক এভাবেই আমরা খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছিলাম। আশা করি আমার এই পোস্টটি দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
https://x.com/bdwomen2/status/1912474583057440866?t=9n0kSyceE5e3CiaWwTDE6Q&s=19
পরিবারের সাথে আপনি চমৎকার একটি সময় কাটিয়েছেন দেখতে পাচ্ছি। নতুন রেস্টুরেন্ট খুললে আগে আমারও খুব মনে হত যাই খেয়ে আসি। আসলে রেস্টুরেন্ট গুলো নতুন নতুন থাকলে খাবারদাবার গুলো খেতে ভালই হয় কারণ কাস্টমার টানার বিরাট প্রচেষ্টা থাকে।
পরিবারের সকলকে নিয়ে খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন আপু। খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্তগুলো বেশ দারুন কাটিয়েছেন। দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে এতো চমৎকার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
https://x.com/bdwomen2/status/1912552592783057407?t=8of8eOlZGbWJ8mwvyNoVtw&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1912555753375687088?t=Re5u2c1P6kpWGoJp_5xbfA&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1912556397029449769?t=hqhDrqEzScL9zoxqEPilFQ&s=19
আপু, আপনার পোস্টটি পড়ে মনে হলো যেন নিজের চোখে দেখছি সেই সুন্দর মুহূর্তগুলো। পরিবারের সাথে কাটানো সময় সত্যিই অমূল্য। ছবিগুলোও দারুণ হয়েছে! ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে এমন সুন্দর স্মৃতি শেয়ার করার জন্য।খাবারগুলো দেখে খুব সুস্বাদু মনে হচ্ছে।