লাইফ স্টাইল :- ছোট ভাগ্নির জন্মদিন উপলক্ষে কাটানো কিছু মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। ইতিমধ্যে সবার লেখার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি উৎসাহ পেয়েছি। তাই সব সময় সুন্দর মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করে। তাই আজকে ভাগ্নি জন্মদিন উপলক্ষে কিছু মুহতার আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করলাম। আশা করি আমার পোস্টটি দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
কালকে আমার বড় বোনের মেয়ে মানে আমার ছোট ভাগ্নির জন্মদিন ছিল। আমি তো আমার শ্বশুর বাড়িতেই ছিলাম। কিন্তু ওর ভাগ্নির জন্মদিনে আসবো না সেটা কি করে হয়। তাই আমরা আমার বাবার বাড়িতে ১৭ তারিখে বিকাল বেলা চলে এসেছিলাম। আপনাদের ভাইয়া ও এসেছিল কিন্তু তার মাদ্রাসা থাকার কারণে রাতে আমাদেরকে রেখে আবার চলে গেল। তারপর পরের দিন ১৮ তারিখে আমার ভাগ্নির জন্মদিন ছিল। আমরা সবাই একসাথে চেষ্টা করেছিলাম ঘরোয়াভাবে ছোট ভাগ্নির জন্মদিন পালন করার জন্য।
তারপর সন্ধ্যা বেলায় সবাই একসাথে আমরা বেলুন দিয়ে ছোটখাটো একটু ডেকোরেশন করার চেষ্টা করলাম। তারপর রকি ভাইয়া সনিয়া আপু এবং নাশিয়া ও চলে এসেছিল। তারপর রকি ভাইয়া ছোট বোন ও এসেছিল। আরো আমার ভাগিনা ভাগ্নি সবাই এসেছিল। তারপর আমরা সবাই একসাথে সুন্দর করে সুন্দর করে একটি ডেকোরেশন করেছিলাম। ছোটখাটো ভাবে বেলুন দিয়ে সাজানো চেষ্টা করলাম। তারপর রেডি করে আমরা কিছু ছবি তুলে নিলাম। আসলে ছোটখাটো হলেও ডেকোরেশন টা আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো।
তারপর আমার বড় আপু দেখলাম খুব সুন্দর করে নিজ হাতে বিরিয়ানি রান্না করেছে। বিরিয়ানির ঘ্রাণে মনে হচ্ছিল যেন খেতে ভীষণ সুস্বাদু হবে। তারপর ভাগ্নির সমবয়সী অনেকগুলো বন্ধু-বান্ধব কে দাওয়াত দিয়েছিল। তারপর এক এক করে দেখতে দেখতে নুসরাতের সকল বন্ধুবান্ধব চলে আসলো। এভাবেই ছোট ছোট বাচ্চায় ভরে গেল পুরো রুম। সবার আনন্দ দেখে অনেক ভালো লাগলো। দেখতে দেখতে সেই সময় চলে আসলো কেক কাটার। তারপর নাশিয়া নুসরাতের সাথে বসে খুব সুন্দর করে কয়েকটি ছবি তুলে নিল।
তারপর সবাই একসাথে আনন্দ করতে করতে থেকে কেটে নিলো। আসলে ছোট বাচ্চারা একসাথে হলে জন্মদিনের আনন্দটাই অনেক সুন্দর দেখায়। তারপর সবাই সুন্দর মুহূর্তের মাধ্যমে কেক কেটে খেতে লাগলো। তারপর আমার ভাগ্নি কেক ছোট ছোট করে কেটে সবাইকে একটু একটু করে হাতে দিলেও খাওয়ার জন্য। আসলে ছোট বাচ্চারা কেক খেতে ভীষণ পছন্দ করে। তারপর সবাই একসাথে বিরিয়ানি খেতে লাগলো। ছোট বাচ্চারা তেমন খেতে পারে না কম করে দিলেও তারা অনেক সময় নষ্ট করে ফেলে খাবার।
তাই এক এক করে সবাইকে অল্প অল্প করে দিয়েছিল খাবার জন্য। কারণ ছোট বাচ্চারা একটু কম খেতে পছন্দ করে। এভাবেই একটু একটু করে সবার খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়ে গেল। সবাই খাওয়া দাওয়ার পরেও বেশ কিছুক্ষণ বসে একসাথে গল্প করলো। কারণ ছোট বাচ্চারা একসাথে হয়ে বেশ আনন্দিত ছিল। একজন আরেকজনকে দেখতে লাগল কিভাবে সেজে এসেছে। তারপর আমরাও খাওয়া-দাওয়া করে নিয়ে নিলাম। এভাবেই ছোট ভাগ্নে জন্মদিনে উপলক্ষে সবাই একসাথে হয়ে ভীষণ আনন্দ উপভোগ করলাম। আশা করি আমার আজকের পোস্ট দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
https://x.com/bdwomen2/status/1924469369855504770?t=Skx7cwyMQdjYReASiO1kqw&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1924470214223417408?t=W0NaaaO57nLfWZuYhuCGWQ&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1924470902831616350?t=N3lDEiAShreTaXfwQHCJog&s=19
https://x.com/bdwomen2/status/1924471685937586496?t=9JvCxyZ9a92TpBSrPhBplw&s=19