ফেলে আসা শৈশব by ashikur50
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ashikur50 বাংলাদেশের নাগরিক।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি।
আমাদের কমিউনিটির সবাই খুব সুন্দর সুন্দর পোস্ট করে, তেমনি আমিও আজকে আপনাদের সামনে একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।
প্রতিনিয়ত আমি আপনাদের মাঝে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার গল্প শেয়ার করে থাকি। আজ আমি শেয়ার করব ফেলে আসা কিছু শৈশবের গল্প। প্রতিটা মানুষেরই ছোটবেলা অনেক মধুর হয়ে থাকে। যেই ছোটবেলার মধুর সময় গুলো মানুষ কখনোই ভুলতে পারে না। মানুষ সবসময় ছোটবেলাকে মনে করে অনেক আফসোস করে। নিজে থেকেই মনে করে যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম সেই ছেলেব। এখনকার ছেলেবেলা মানে কম্পিউটার মোবাইল ফোনে গেম। বাইক নিয়ে বিকেল হলেই ঘুরে বেড়ানো। এখন আর সবাই একসাথে গোল হয়ে গল্প করে না। সবাই যার যার ফোন নিয়ে ব্যস্ত। অনেক ছেলেপেলে আছে তো এখন বিভিন্ন মাদকের সাথে জড়িত। তাদের ছেলেবেলাতে নেই কোন খেলার মাঠ। নেই কোন লুকোচুরি খেলা। সন্ধ্যা হলেই বাতি জ্বালিয়ে পড়তে জানেনা। তাদের পড়া শব্দও আর এখন আর কানে আসে না।
Device : redmi note 13 pro plus
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
Device : redmi note 13 pro plus
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
Device : redmi note 13 pro plus
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
জানিনা সবাই কেন এত পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের ছেলেবেলা কতই না মধুর ছিল। খুব সকালে সাইকেল নিয়ে পড়তে যেতাম। বিশেষ করে শীতের সময় চারিদিকে কুয়াশা ঢাকা পরিবেশ। শীতের মধ্যে মাঝে মাঝে সকালে উঠতে ইচ্ছা করত না। আম্মু জোর করে উঠিয়ে দিত। শীতে কাঁপতে কাঁপতে যেতাম পড়তে। তখন আর এমন ঘরের মধ্যে ওয়াশরুম ছিল না ট্যাপের পানিও ছিল না। তখন সোজা যেতে হতো টি বয়েল। সকালের পানি যে কি ঠান্ডা ছিল বলে বোঝানো যাবে না। সকালে পড়া শেষ করে চলে আসতাম বাড়িতে সকালের নাস্তা কমপ্লিট করেই আবার রেডি হতাম স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। স্কুলে না যাওয়ার কত যে বাহানা করতাম। তারপরও বাড়ি থেকে জোর করে পাঠানো হতো। আর স্কুল ড্রেস না পড়ে স্কুলে গেলে তো খবর আছে স্যারের হাতে তো বেতের বাড়ি কনফার্ম। হাফ টাইম স্কুল শেষ করে চলে আসতাম বাড়িতে টিফিন খাওয়ার জন্য। যাদের বাসা অনেক দূরে ছিল এবং সাইকেল ছিল না তারা টিফিন নিয়ে আসতো। আমাদের স্কুল পাশেই ছিল এবং আমার সাইকেল ছিল এজন্য খুব তাড়াতাড়ি চলে আসতাম। টিফিন খাওয়া শেষ করে তাড়াহুড়া করে চলে যেতাম আবার স্কুলে। সেই বিকেল ৪ টা পর্যন্ত স্কুল শেষ করে শরীরে ক্লান্ত নিয়ে চলে আসতাম বাড়িতে। বাড়ি এসে শুধু স্কুল ড্রেস চেঞ্জ করতে যতটুকু দেরি। বেরিয়ে পড়তাম ব্যাট বল নিয়ে মাঠের উদ্দেশ্যে। খেলার মাঠে ক্রিকেট ফুটবল কানামাছি আরো যে কত কিছু। খেলতে খেলতে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে যেত বুঝতেই পারতাম না। হঠাৎ নাম ধরে চিৎকার করে ডাক তাকিয়ে দেখি মা মস্ত বড় একটি লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরে মা কান ধরে বাড়ি নিয়ে যেত। সোজা একবারে টিউবওয়েলের উপর। ভালো করে হাত মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করে সোজা বসে পড়তাম পড়ার টেবিলে। পড়তে যখন মন চাইতো না কলম দিয়ে খাতার উপর কত যে আকা আকি কি করতাম। তখন ছিল না আমাদের কোন ফোন। পড়া শেষ করে চলে যেতাম সবার সঙ্গে খাবার খেতে। খাওয়া শেষ করে সবাই মিলে একসঙ্গে টিভি দেখা। মাঝে মাঝে তো আপুরা মুড়ি মাখিয়ে নিয়ে বসত সবাই মিলে খেতাম আর কত মজা করতাম।
Device : redmi note 13 pro plus
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
Device : redmi note 13 pro plus
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
আর এখন কত পরিবর্তন সবার মধ্যে মনে হয় ডিজিটাল সোয়াব হয়েছে। এখন আর আগের মত কেউ রাস্তাঘাটে স্কুলের স্যারদের সম্মান করে না। আমরা যখন সাইকেল চালিয়ে যেতাম দূরে যখন স্যারকে দেখতাম। সাইকেল থেকে নেমে স্যারকে সালাম দিয়ে সম্মান করতাম। কিন্তু এখন অনেক স্টুডেন্ট তো স্যারের গায়ে পর্যন্ত হাত দেয়। সত্যিই বিষয়গুলো খুবই দুঃখজনক। কয়েকদিন আগে রেল লাইনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো কিছু বাচ্চাদের। তাদের বাড়ি হয়তো বা রেললাইনের ধার দিয়ে। বাড়ির সামনে রেল লাইনের পাশে সবাই মিলে খেলা করছিল। একজন ছোট্ট একটি খেলনা হেলিকপ্টার কিনেছে। আর সবাই মিলে সেটা কুড়াচ্ছে আর মজা করছে। তাদের মধ্যে বড় কোনো চাওয়া পাওয়া নেই যে সবার একটা করে লাগবে। তারা একটা হেলিকপ্টার দিয়েই সবাই একসঙ্গে খেলছে হাসাহাসি করছে মজা করছে। এমন দৃশ্য দেখে শুধু ছোটবেলার বিভিন্ন গল্প এবং স্মৃতি মনে পড়ে যাচ্ছিল। এজন্য বলতে বলতে অনেক কিছু আপনাদের কাছে বলে ফেলেছি। অনেক কথাই বললাম তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে আবার অন্য কোন গল্পে কোন কোন পোস্টে। আশা করি আমার এই পোস্টটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে এবং সবার ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যাচ্ছে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই রইল।
আমার পোস্টে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ সবাই কে আমার পোস্ট টা পড়ার জন্য।
আমি মোঃ আশিকুর রহমান সোহাগ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ashikur50। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমি একজন মিশুক ছেলে। আমি সবার সাথে মিশতে ভালোবাসি।

https://x.com/AshikurShohag/status/1944704298962854144?t=VisV7NTCVJNZcqXimSVcQg&s=19
https://x.com/AshikurShohag/status/1944704453053120804?t=0Wo_FBJRoI1Fyg6EvZKZqw&s=19
https://x.com/AshikurShohag/status/1944705059968987304?t=uPU1UJjaCZS8MFKdEHzq1A&s=19
https://x.com/AshikurShohag/status/1944705176138604880?t=nWQGfM_ai9KVKWdaor4PKQ&s=19
https://x.com/AshikurShohag/status/1944705512303685937?t=Zb4-8shNxjYa-FnrfiZFCw&s=19
https://x.com/AshikurShohag/status/1944705627059794085?t=41d1wNh2LYfML3TAivCJ4Q&s=19