"সাতটি রেনডম ফটোগ্রাফি"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ৫ ই ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, ২০২৪ খ্রিঃ।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কভার ফটো
কয়েকটি ফটোগ্রাফি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি প্রতিনিয়ত আমার বাংলা ব্লগে নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আমরা সবাই আমাদের চারপাশের প্রকৃতিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আমার কাছে মনে হয় প্রকৃতি আমাদের জীবন প্রকৃতি আছে বলেই আমরা জীবিত আছি। আর এই প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখার দায়িত্বটাও আমাদের। প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে মুগ্ধ করে। প্রকৃতির সাথে সুন্দর সময় কাটাতে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। আমি গ্রামে গেলে সব সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেই ঘুরে বেড়ায় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমার ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখি। ব্যক্তিগতভাবে প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে ভীষণ পছন্দ করি আর ফটোগ্রাফির ভেতরেই আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি করেছি যেগুলো আমি এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। তাহলে চলুন দেরি না করে আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আসি।
প্রথম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার প্রথম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে ব্যাঙের ছাতা। এই ফটোগ্রাফিটি যখন আমি করেছিলাম তখন গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। আমি বাড়িতে গেলে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য বাড়ির আশেপাশে হাঁটতে বের হই। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে সবথেকে বেশি যে, জায়গাতে যাই সেটা হচ্ছে আমাদের পুকুরপাড়। গতবারের আগেরবার যখন বাড়িতে গিয়েছিলাম তখন এমনই একটা সকালে ঘুম থেকে উঠে পুকুরপাড়ে গিয়ে দেখি অনেক সুন্দর একটা ব্যাঙের ছাতা। এমন সুন্দর ব্যাঙের ছাতা দেখে আমার মোবাইলে ক্যামেরা বন্দি করে রেখেছিলাম। ব্যাঙের ছাতা নিয়ে অনেক স্মৃতি রয়েছে শৈশবে ব্যাঙের ছাতা নিয়ে খেলা করতাম।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ৬ ই নভেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার দ্বিতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে কলমি ফুল। আপনারা যারা গ্রামে থাকেন এই ফুল অনেকেই চিনবেন আবার যারা শহরে থাকেন হয়তো চিনবেন না। কলমি শাক হয়তো অনেকেই খেয়েছেন এটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। কলমি শাকের এরকম হালকা গোলাপি রঙের সুন্দর ফুল হয়। এই ফুল গুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। আমাদের বাড়ির সামনের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে কলমি ফুলের এই ফটোগ্রাফি করেছিলাম।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৬ ই অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আবার তৃতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সবুজ শ্যামল ধানের ক্ষেত। সবুজ শ্যামল ধানের ক্ষেত অবশ্য সবাই চিনবেন। কারন আমাদের বাঙ্গালীদের প্রধান খাবার হচ্ছে ভাত। আর ধান থেকে চাউল তৈরি হয় আর তারপর এটা রান্না করে ভাত তৈরি হয়। এই ফটোগ্রাফিটি বেশ কিছুদিন আগে তুলেছিলাম। গ্রামে গিয়ে সবুজ শ্যামলে ভরা ধানের মাঠ দেখলে মন ভরে যায়। কোন কৃষক যখন ফসল চাষ করে তখন সেই ফসল যদি ভালো হয় কৃষকের মুখে থাকে সুন্দর হাসি।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৬ ই অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার চতুর্থ ফটোগ্রাফিতে রয়েছে নদীর দৃশ্য। এটা যে শুধু নদীর দৃশ্য তা নয় শৈশবের সুন্দর একটি স্মৃতি। আমি বাড়িতে গেলে বন্ধুবান্ধব আর বড় ভাইদের সাথে সবসময় ঘুরে বেড়ায়। সেদিন নদীর পারে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি বেশ কয়েকটি ছেলেপেলে নদী থেকে বরশি দিয়ে মাছ ধরছে। ওদের শৈশবের এই দারুন মুহূর্ত দেখে নিজের শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল। একটা সময় আমরা অবশ্যই দিয়ে পুকুর এবং নদীতে অনেক মাছ ধরতাম। এখন চাইলেও সেই শৈশবে আর ফিরে যেতে পারি না। তবে শৈশবের সেই সুন্দর মুহূর্তগুলো হৃদয়ে বারবার দোলা দেয়।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৫ ই অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার পঞ্চম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে কদবেল গাছের দৃশ্য। কদবেল ফল আমার ভীষণ পছন্দের। আমাদের বাড়িতে বছর ১৫ আগে অনেক বড় একটি কদবেল গাছ ছিল তখন ওই গাছে প্রচুর পরিমাণে কদবেল হতো। আমি তখন ছোট ছিলাম সেই বড় কদবেল গাছে উঠে অনেক কদবেল পারতাম। আর বড় বড় কদবেল গুলো যাতে পেকে পড়ে নষ্ট না হয়ে যায় সেজন্য কাপড় দিয়ে বেঁধে রেখে আসতাম। তারপর যখন কদবেলগুলো পাকতো তখন পাড়তাম। আমাদের আগের কদ বেল গাছটা মরে যাওয়ার পরে এই কত বেল গাছটা বাবা লাগিয়েছিল। এখন একটু বড় হয়েছে প্রতিবছর মোটামুটি ভালই করবেন আসে।
ষষ্ঠ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ৯ ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন:মোহাম্মদপুর,ঢাকা
আমার ষষ্ঠ ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সাদা মেঘের দৃশ্য। সাদা মেঘ যখন সবুজ আকাশের বুকে ঘুরে বেড়ায় তখন দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। এই ফটোগ্রাফিটি আমি বেশ কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে করেছিলাম। এটা গুলশানের একটি লেকের পাড় থেকে তুলেছিলাম। ঢাকার বড় বড় কংক্রিটের ইমারত গুলির সাথে মেঘের দৃশ্যটা বেশ ভালই লাগছিল।
সপ্তম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ৩ রা অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন:মোহাম্মদপুর,ঢাকা
আমার সপ্তম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে নয়ন তারা ফুলের দৃশ্য। নয়নতারা ফুলের সৌন্দর্য আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। এই ফটোগ্রাফিটি আমি ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালের সামনে থেকে করেছিলাম। বৃষ্টি হওয়ার পরে যখন বের হয়েছিলাম তখন ফুলের উপর বৃষ্টির জল জমে ছিল। এরকম দৃশ্য দেখতে অনেক সুন্দর লাগে তাই আমি আমার ফোনে ক্যামেরাবন্দি করে রেখেছিলাম। নয়ন তারা ফুলের আদি নিবাস মাদাগাস্কার। আমাদের বাংলাদেশেও নয়নতারা ফুলের চাষ করা হয়। গোলাপি রঙের নয়নতারা ফুল গুলো দেখতে অনেক সুন্দর।
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
আমি কে !
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল টেকনোলজিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, গান গাইতে ও শুনতে, কবিতা লিখতে ও পড়তে, আর্ট করতে, রান্না করতে ও ফটোগ্রাফি করতে খুবই পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব "আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, ধৈর্যই সফলতার চাবিকাঠি।
@aongkon

কয়েদ বেল গাছটির ছবি আপনি দারুন তুলেছেন ভাই, এছাড়াও সিঙ্গেল ফোকাসের ছবিগুলোর মধ্যে ব্যাঙের ছাপার ছবিটা বেশি ভালো লেগেছে আপনার ছবি হাত নিঃসন্দেহে ভালো। অনেক ভালো ভালো ছবি দেখলাম আজ
আমি চেষ্টা করেছি ছবিগুলো ঠিকভাবে ক্যাপচার করে আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। অনেক সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিদি।
বাহ্ আপনি আজকে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। বিশেষ করে কলমি ফুলের ফটোগ্রাফি আমার অনেক ভালো লেগেছে।বাকি ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। গ্রামীণ পরিবেশের ফটোগ্রাফি এমনিতেই অনেক সুন্দর লাগে। ধন্যবাদ ভাই পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আমার শেয়ার করা ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। হ্যাঁ ভাই গ্রামীণ পুরো বিশ্বের ফটোগ্রাফি এমনিতেই সুন্দর লাগে। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
মনোমুগ্ধকর সব ফটোগ্রাফি নিয়ে আজকের ফটোগ্রাফি পোস্ট সাজিয়ে তুলেছেন ভাইয়া।আপনার শেয়ার করা প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ছিল দুর্দান্ত। বিশেষ করে সাদা এবং ভেজা নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।
আপনার সুন্দর অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য করে অনেক ভালো লাগলো। আপনার কাছে সাদা ও ভেজা নয়নতারার ফটোগ্রাফিটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আজ আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ফটোগ্রাফি বেশ ভালো হয়েছে। আমার কাছে সব থেকে ভালো লেগেছে নদীর দৃশ্য এবং ব্যাঙের ছাতার ফটোগ্রাফিটি। প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দারুন অ্যাঙ্গেলে ক্যাপচার করেছেন। সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি সহ সাবলীল ভাষায় উপস্থাপনা করে পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
তোমার কাছে নদীর দৃশ্য ব্যাঙের ছাতার ফটোগ্রাফিটা সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। তুমি নিজেও তো অনেক ভালো ফটোগ্রাফি করো আমাদের মাঝে শেয়ার করো দেখি সেগুলো। অনেক সুন্দর মন্তব্য প্রকাশ করে পাশে থাকার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি তো মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফির দিকে। খুব যত্ন করে তুলেছেন মনে হচ্ছে প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি। আসলে ভালো ফটোগ্রাফার না হলে এ ধরনের চমৎকার ফটোগ্রাফি করা যায় না। দারুন সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাই আমি ভালো ফটোগ্রাফার না তবে চেষ্টা করি ভালো করে ফটোগ্রাফি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনাদের অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য পড়লে খুব ভালো লাগে।
আজকে আপনি অসাধারণ অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি এবং সাদা মেঘের দৃশ্য ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লাগলো। ও ধানক্ষেতের ফটোগ্রাফিও চমৎকার হয়েছে। সত্যি বলতে অসাধারণ ফটোগ্রাফি করে চমৎকার বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ফটোগ্রাফি গুলো।
আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। সব সময় সুন্দর সাবলীল ভাষায় মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
ফটোগ্রাফি করা বেশ দক্ষতার বিষয়। সুন্দর সুন্দর ফটো ধারণ করতে হলে অনেক দক্ষতা থাকা প্রয়োজন হয়ে। ঠিক তেমনি দক্ষতা দিয়ে আজকে আপনি অনেক সুন্দর সাতটি ফটো ধারণ করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ফটো গুলোর মধ্যে ফসলের মাঠ ফুলসহ বেশ কিছু চিত্র ফুটে উঠেছে। অনেক সুন্দর হয়েছে ফটোগুলো ধারণ করা এবং শেয়ার করা।
হ্যাঁ ভাই ফটোগ্রাফি করা অনেক দক্ষতার বিষয়। আমার তেমন একটা দক্ষতা নেই তবে চেষ্টা করেছে সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য। সুন্দর মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।
প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ভীষণ চমৎকার লাগছে দেখতে। একদম পারফেক্টলি আপনি প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করেছেন। নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি অনেক বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে। কলমি ফুল এবং মাশরুমের ফটোগ্রাফি টাও খুবই চমৎকার হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি টা আপনার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনার সুন্দর সাবলীল ভাষার মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো।