ফটোগ্রাফি: প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য।
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ২৭ শে ডিসেম্বর, শুক্রবার, ২০২৪ খ্রিঃ।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কভার ফটো
কয়েকটি ফটোগ্রাফি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি প্রতিনিয়ত আমার বাংলা ব্লগে নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আমরা সবাই আমাদের চারপাশের প্রকৃতিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আমার কাছে মনে হয় প্রকৃতি আমাদের জীবন প্রকৃতি আছে বলেই আমরা জীবিত আছি। আর এই প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখার দায়িত্বটাও আমাদের। প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে মুগ্ধ করে। প্রকৃতির সাথে সুন্দর সময় কাটাতে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। আমি গ্রামে গেলে সব সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেই ঘুরে বেড়ায় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমার ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখি। ব্যক্তিগতভাবে প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে ভীষণ পছন্দ করি আর ফটোগ্রাফির ভেতরেই আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি করেছি যেগুলো আমি এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। তাহলে চলুন দেরি না করে আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আসি।
প্রথম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৯ শে ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার প্রথম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে গ্রামীণ মেঠো পথে বাইক ড্রাইভ করার দৃশ্য। কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বন্ধু-বান্ধব, ছোট ভাই ব্রাদার ও বড় ভাই ব্রাদারদের নিয়ে একটি পিকনিকের আয়োজন করেছিলাম। আমরা শীতের সময় সাধারণত হাঁস দিয়ে সব থেকে বেশি পিকনিক করি। তাই হাঁস কেনার জন্য বাইক নিয়ে পদ্মা নদীর চরের বাড়িগুলোতে খোঁজ করি। বাইক নিয়ে গ্রামীন মেঠো পথে এভাবে যেতে ভীষণ ভালো লাগে।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৯ শে ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: রাজবাড়ী
আমার দ্বিতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে পদ্মা নদীর দৃশ্য। নদীর দৃশ্য সবসময় আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। এই ফটোগ্রাফিটি কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে ঢাকাতে আসার সময় পদ্মা নদী পার হওয়ার মুহূর্তে করেছিলাম। আমি যখনই ঢাকা থেকে বাড়িতে যায় কিংবা বাড়ি থেকে ঢাকাতে আসি তখন নদী পার হওয়ার মুহূর্ত আমার কাছে সবথেকে বেশি ভালো লাগে। নদীর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য আমাকে সবসময়ই মুগ্ধ করে।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৮ ই ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আবার তৃতীয় ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সরিষা ক্ষেতের দৃশ্য। শীতের সময় এ গ্রামীন প্রাকৃতিক দৃশ্য অনেক বেশি সুন্দর হয়। সকালে যেমন কুয়াশা মাখা প্রাকৃতিক দৃশ্য তেমনি সুন্দর দেখায় সরিষা ফুলের দৃশ্য। আমাদের দিকে এ সময়টাতে সব থেকে বেশি চাষ করা হয় সরিষা আর পেঁয়াজ। কৃষকের মাঠ ভরা সরিষা ফসল দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। এই সময়ে সরিষা মাঠের আশেপাশে প্রচুর পরিমাণে মধু উৎপাদন হয়। সরিষা ফুলের মধু ভীষণ সুস্বাদু হয়।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৮ ই ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার চতুর্থ ফটোগ্রাফিতে রয়েছে আলুর ক্ষেতের দৃশ্য। আমাদের অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষকেরা শীতকালীন সময়ে সরিষা এবং পেঁয়াজ ফসল চাষ করে। এই দুটি ফসল চাষের পাশাপাশি আলু ফসলও মোটামুটি চাষ করতে দেখা যায়। আমরা পদ্মা নদীর চরে গিয়েছিলাম হাঁস কেনার জন্য। সেখান থেকে মেঠো পথ দিয়ে ফেরত আসার সময় হঠাৎ করে চোখে পড়লো আলুর ক্ষেতের দৃশ্য।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৬ ই ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার পঞ্চম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে ঘাসের উপর শিশির বিন্দুর ফটোগ্রাফি। শীতকালীন প্রকৃতি মানেই কুয়াশা আর শিশির বিন্দুর অপরূপ দৃশ্য। শহরে শীতকালীন সময়ে খুব একটা ভালোভাবে উপভোগ করা যায় না কিন্তু গ্রামে গেলে অনেক সুন্দর ভাবে শীতকালীন সময় উপভোগ করা যায়। এইতো কয়েকদিন আগেই বাড়িতে গিয়ে শীতের সকালে গ্রামীণ মাঠে ঘুরতে বের হয়েছিলাম সেখান থেকেই আমি এই ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম। শীতের সময় খুব সকালে ঘাসের উপর শিশির বিন্দু এসে জমে থাকে দেখতে ভীষণ ভালো লাগে।
ষষ্ঠ ফটোগ্রাফি
ডিভাইস: স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪
ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১৭ ই ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
লোকেশন: কুষ্টিয়া
আমার ষষ্ঠ ফটোগ্রাফিতে রয়েছে নদীর উপরে বাঁশের সাঁকোর দৃশ্য। সাধারণত এমন দৃশ্য সব জায়গাতে দেখা যায় না। আমরা ছোটবেলায় অনেক বাঁশের সাঁকো দেখেছি তবে সেগুলো পুকুর, ডোবা বা খালের উপরে তৈরি। কিন্তু একটা নদীর উপরে বাঁশের সাঁকোর দৃশ্য খুব কম দেখা যায়। এটা হচ্ছে কালুখালির চন্দনা নদী আমার মেজে পিসিমণির বাড়ির পাশ দিয়েই এই নদী বয়ে গেছে।
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
আমি কে !
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল টেকনোলজিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, গান গাইতে ও শুনতে, কবিতা লিখতে ও পড়তে, আর্ট করতে, রান্না করতে ও ফটোগ্রাফি করতে খুবই পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব "আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, ধৈর্যই সফলতার চাবিকাঠি।
@aongkon

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনি ভাই বরাবরই সুন্দর ফটোগ্রাফি করেন। আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে ঘাসের উপর শিশিরের বিন্দু। দারুন ফটোগ্রাফি করেন ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি সবসময় চেষ্টা করি সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের মাঝে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বাহ্ আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা সবগুলো ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে ভাইয়া।ফটোগ্রাফির সাথে বেশ সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন। ধন্যবাদ ভাই পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আমার তোলা সবগুলো ফটোগ্রাফি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। অনেক সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য দেখলে সত্যিই মনে প্রশান্তি কাজ করে। মুগ্ধ হয়ে গেলাম আপনার আজকের ফটোগ্রাফি দেখে। সবগুলো ফটোগ্রাফি অসাধারণ ছিল। সরিষা ক্ষেতের ফটোগ্রাফি এবং শিশির ভেজা ঘাসের ফটোগ্রাফি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। বেশ দক্ষতার সাথে ফটোগ্রাফি গুলো ক্যাপচার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য।
সরিষা ক্ষেতের ফটোগ্রাফি এবং শিশির ভেজা ঘাসের ফটোগ্রাফি আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। সুন্দর সাবলীল ভাষায় মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রকৃতি যে কত রকম ভাবে সুন্দর এবং আমাদের চোখের সামনেই তার রুপ সাধারণভাবেই পড়ে থাকে ক্যামেরাবন্দি না করলেই বোঝাই যায় না। আপনার আজকের প্রত্যেকটা ছবি ভীষণ ভালো লেগেছে। কাকে ছেড়ে কাকে দেখব সেটা ভেবে উঠতেই সময় চলে যাচ্ছে।
এটা সত্যি বলেছেন দিদি প্রকৃতি সবসময় আমাদের চোখের সামনে থাকে তবে ক্যামেরাবন্দি করলে সেটা অনেক সুন্দর ভাবে দেখা যায়। অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
শীতকাল চলে আসলেই গ্ৰাম এলাকার সৌন্দর্য অনেক টা বৃদ্ধি পায়।আর এই সৌন্দর্য গুলো উপভোগ করতে বেশ ভালোই লাগে আমার কাছে। আপনি দেখছি শীতকালীন কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফী আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্ৰাফী আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
আমি চেষ্টা করেছি শীতকালীন প্রাকৃতিক বিষয়ে ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। এত সুন্দর মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাই।
বাহ্ আপনি দেখছি চমৎকার প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্যের কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।আপনার ফটোগ্রাফি মধ্যে দিয়ে অনেক দিন পর এই নদীর উপরে বাঁশের সাঁকো দেখতে পেলাম দেখে বেশ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর সুন্দর দৃশ্য আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।সব গুলো দৃশ্যের ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে।
আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম আপু। আপনাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য গুলো অনুপ্রেরণা যোগায়।
দারুন ভাবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফটোগ্রাফির মধ্যে ধারণ করেছেন ভাইয়া। ঘাসের উপর শিশুর বিন্দু দেখে আমি তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। মেঠো পথে বাইক চালানো দেখেও বেশ ভালো লাগলো। এরকম সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি ধারণ করে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আর হ্যাঁ মেঠো পথে বাইক চালাতে ভীষণ ভালো লাগে। আচ্ছা সুন্দর মন্তব্য করে খুশি হলাম।
শীতের দিনের এমন সুন্দর মনোরম পরিবেশ আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করে। বিশেষ করে কুয়াশা ভেজা দৃশ্য গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। আর আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করলেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখার সুযোগ করে দিলেন দেখে ভালো লাগলো।
হ্যাঁ আপু শীতের দিনে এমন সুন্দর মনোরম পরিবেশ মুগ্ধ করে। অনেক সুন্দর মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।