।। সুস্বাদু নারিকেলের নাড়ু রেসিপি।। 10% shy-fox beneficiary।।
২৫শে আশ্বিন ১৪২৯ বাং।
১২ই অক্টোবর/২০২২ইং।
রোজঃ বুধবার।
বন্ধুরা, নমস্কার/আদাব
আমি @amitab বাংলাদেশ থেকে "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির এপার বাংলা এবং ওপার বাংলার বাংলা ভাষাভাষী সকল বন্ধুদের জানাই শরৎ ঋতুর অপরূপ সৌন্দর্য কাশফুলের শুভেচ্ছা। আশারাখি সকলেই ভাল আছেন, আমিও ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সামনে সুস্বাদু নারিকেলের রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। গত সপ্তাহেই হয়ে গেল হিন্দু ধর্ম বলিদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন প্রকার নারীরা আয়োজন করা হয়েছিল। নারিকেলের নাড়ু এটি কিন্তু একটি সিম্পল রেসিপি। এই সিম্পল রেসিপিটি পোস্ট করার উদ্দেশ্য আমার আমাদের মুসলিম সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের জন্য। আমার অসংখ্য মুসলিম সম্প্রদায়ের বন্ধু রয়েছে। তাদের বাসা বাড়িতে চলাফেরা করে দেখেছি যে, তাদের মধ্যে অনেকেই এই সিম্পল রেসিপিটি থেকে সম্পর্কে জানেনা। সেই সমস্ত অজানা মুসলিম সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের জন্যই আজকের এই রেসিপিটি পোস্ট করলাম।
।। সুস্বাদু নারিকেলের নাড়ু রেসিপি।।
।। উপকরন।।
| নারিকেল | মাঝারি ৩টি। |
|---|---|
| চিনি | ৩০০ গ্রাম। |
| সাদা এলাচ | ৮-১০টি। |
ধাপঃ-০১
প্রথমে নারিকেল গুলোর খোসা ছাড়িয়ে জল দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে একটি পাত্রে নিয়ে নিলাম।
ধাপঃ-০২
এরপর নারিকেল গুলো মাঝ বরাবর ফাটিয়ে দ্বিখণ্ডিত করে নিলাম।
ধাপঃ-০৩
এরপর একটি পরিষ্কার পাত্রে নারিকেলের শাঁস গুলো মিহি করে ছাড়িয়ে নিলাম।
ধাপঃ-০৪
এবারে মিহি নারিকেল এর অংশগুলো রান্নার কড়াইতে নিয়ে ২৫০ গ্রাম চিনি এবং সাদা এলাচ গুলো ছিড়ে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ধাপঃ-০৫
এবারে রান্নার কারাইটি উনুনে উঠিয়ে মিডিয়াম তাপে জাল দিতে হবে। সেই সাথে অনবরত রান্নার খুন্তি দিয়ে নাড়তে হবে। এভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অনবদ্য নাড়তে নাড়তে নারকেলের শাঁসের মিহিগুলো একটু লালচে বরণ ও আঠালো হয়ে আসবে। সেই সাথে হালকা ঝরঝরে ভাব চলে আসবে। আর তখনই ঝটপট নামিয়ে নিতে হবে।
ধাপঃ-০৬
**এবারে নারিকেলের শাঁসের মিহিগুলো লালচে কালার হওয়া সহ হালকা ঝরঝরে হয়ে আসছে। উনুন থেকে আমরা কার আইটি নামিয়ে নিয়েছি। এখন কারাই থেকে ঝটপট হাতে নিতে হবে আর নাড়ু পাকাতে হবে। এভাবেই যে কেউ বাড়িতে ঝটপট চিনি দিয়ে নাড়ু তৈরি করতে পারেন।
ধাপঃ-০৭
চিনি দিয়ে নারিকেলের নাড়ু গুলো আমরা এখন একটি পাত্রে পরিবেশনের জন্য তুলে নিলাম। ঠিক সেমভাবে গুড় দিয়ে ও নারকেল গুড়ের নারু তৈরি হয়।
বন্ধুরা, এই ছিল আজকে আমার সুস্বাদু নারিকেলের নাড়ু রেসিপি। আজকে এ পর্যন্তই, আবার কথা হবে আগামীকাল অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সে পর্যন্ত সকলেই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, এই প্রত্যাশায় সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায় শুভ দুপুর।
| নাম | শ্রী ফণিভূষণ রায় অমিতাব। |
|---|---|
| User Id | @amitab |
| Camera | Symphony Mobile phone. |
| Mobile Phone Model | Z-35. |
| Photo Location | Vendari. |
| Photo design | Picsart Photo & Video Editor. |
| My Address | Vendabari Prigonj Rangpur Bangladesh. |
নারিকেল নাড়ু গুলো দেখতে বেশ দারুন লাগছে। খেতে ও নিশ্চয়ই মজা হয়েছে। আমিও বাসায় মাঝে মাঝে এভাবে নাড়ু বানায়। এভাবে নাড়ু বানিয়ে খেতে বেশ ভালো লাগে। আপনি প্রতিটি ধাপ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
জি ভাই খেতে অনেক মজা হয়েছে। এটা পুজোর সময় করা নয়। এটা গতকালকে আবার করেছিলাম। বাড়ির গাছের নারিকেল দিয়ে এমনিতে খাওয়ার জন্য। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
পুজোর সময় বিভিন্ন রকমের নাড়ু তৈরি করা হয়। আপনার বাসায়ও নাড়ু তৈরি করা হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। প্লেটে সাজানো নাড়ু দেখে মন চাচ্ছে একটু নিয়ে খেতে। সুন্দর ভাবে এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য এবং আমাদেরকে শেখার সুযোগ দিয়েছেন এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
জি আপু, নাড়ু খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে। এই নারীগুলো পুজোর সময় তৈরি নয়।। এগুলো পুজোর পরে একদিন বাড়িতে খাওয়ার জন্য করেছিলাম। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুস্বাদু নারিকেল নাড়ু দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। আমার নাড়ু খেতে খুবই ভালো লাগে। আমাদের এদিকে যখন পুজো হয়, আমার অনেক হিন্দু ধর্মের বন্ধু বান্ধবী রয়েছে তারা সবাই আমাকে অনেক নাড়ু উপহার দেয়। খেতে সত্যিই দারুন লাগে। কিন্তু এটা অনেক পরিশ্রমের কাজ ভেবে কখনোই তৈরি করা হয়নি। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে একবার হলেও তৈরি করে দেখব।
জি আপু এটা খুবই সিম্পল। আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই বিষয়টা জানে না। মনে করেন নাড়ু তৈরি করা খুবই কঠিন কাজ। তবে আমার রেসিপিটি দেখে আপনি খুব অনায়াসে করতে পারবেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
নারকেলের নাড়ু খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভ সামলাতে পারছি না। আপনার রেসিপির কালার টা অনেক সুন্দর এসেছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
চিনি দিয়ে নারিকেলের নাড়ু কি চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দাদা। নারিকেলের নাড়ু খেতে খুব ভালো লাগে। আপনি চিনি দিয়ে সুন্দর করে নারিকেলের নাড়ু বানিয়েছেন। যা দেখতে খুবই লোভনীয় হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
জি আপু, এটি কিন্তু খুবই মুক্তচোখ খাবার। খেতে খুবই ভালো লাগে। মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
নারিকেলের নাড়ু খুবই মজার একটি খাবার তবে অনেক বছর হয়ে গেছে নারিকেলের নাড়ু খাওয়া হচ্ছে না। হয়তো ব্যস্ততার কারণে মানাতে পারছি না তবে আপনার নারিকেলের নাড়ুগুলো দেখে আমার ইচ্ছে করছে এখনই খেতে। খুব চমৎকারভাবে পরিবেশন করে ছবি তুলেছেন তাছাড়া আপনার উপস্থাপনা ও ছিল যথেষ্ট ভালো
ভালো লাগলো দেখে।
মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
নারিকেল নাড়ু দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে। কেননা নারিকেল নাড়ু আমার বেশ পছন্দের। তবে বানাতে বেশ সময়সাপেক্ষ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ নাড়ু তৈরির ধাপগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
জি আপু, অনেকেই নারিকেলের নাড়ু তৈরির প্রচেষ্টা জানে না। মনে করে অনেক কঠিন একটা প্রসেস। কিন্তু না এটা খুবই সহজ। না জানা দের জন্যই আমার এই রেসিপিটি করা। আপনি অনার্সেই করতে পারবেন এই রেসিপিটি। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
নারকেল দিয়ে তৈরি রেসিপি গুলো খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। নারকেলের নাড়ু হলে তো কথাই নেই। অনেকদিন হলো নারকেলের নাড়ু খাওয়া হয়নি। দেখে লোভনীয় লাগছে। তৈরির দাপগুলো খুব সহজ ও সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
এই নারু রেসিপি যখন খেতে ধরি তখন একসাথে তিন চারটা করে খেয়ে ফেলি। আর আপনার তৈরি করে দেখে তো খেতে ইচ্ছা করতেছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে তৈরি করা পাশাপাশি ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল
জি ভাই নারীগুলো খুবই টেস্টি হয়েছিল। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।