গ্রামীণ জনপথ
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আমি মোটামুটি ভালো আছি। এইতো এক সপ্তাহের মতো হবে আমি আমার নীলফামারীতে চলে এসেছি। আমার এই নীলফামারী শহরকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু স্মৃতি রয়েছে। যে সবকিছুর জন্য আমার শৈশবটা অনেকটা ভালো কেটেছে। যার জন্য এই নীলফামারের মায়া আমি কখনোই ত্যাগ করতে পারব না, এটাই হচ্ছে আমার মাতৃভূমি।
গত ১০ বছর ধরে নীলফামারীতে তেমন একটা থাকা হয়না। শুধুমাত্র বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান এবং ঈদ কিংবা পুজোয় আমি নীলফামারীতে আসি এবং বেশ কিছুদিন থাকার পরে আবারো চিরচেনা ঢাকা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এর মাঝেই নীলফামারীর গ্রামীণ জনপদের অনেকটা খোঁজখবর নেওয়া হয় না। অনেক জায়গা আছে যেগুলোতে গেলে নিজেদের মন অনেকটাই ফ্রেশ হয়ে যায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়, সেসব জায়গাগুলোতে বহু বছর যাওয়া হয় না।
যখন ঈদের ছুটিতে কিংবা অন্যান্য ছুটিতে নীলফামারীতে আসি আমি চেষ্টা করি নীলফামারীর কিছু গ্রামীণ জনপদ ঘুরে দেখার জন্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। ঠিক তেমনি একটি উদ্দেশ্যে গত কিছুদিন আগে আমার দুলাভাইয়ের সাথে বের হয়েছিলাম নীলফামারীর গ্রামীন জনপদে ঘোরাঘুরি করার জন্য। যদিও সেদিন বেশ কিছুটা কাজও ছিল। সব মিলিয়ে কাজ করা হয়েছে এবং গ্রামের সৌন্দর্যটাও বেশ ভালোভাবে উপভোগ করতে পেরেছি। তবে সেদিন মাত্রা অতিরিক্ত গরম ছিল এবং এই গরমের মধ্যেও যে গাছের নিচে বসে, ঠান্ডা শীতল আবহাওয়ার অনুভূতি গ্রহণ করা যায় সেটা আগে আমার তেমন ভাবে জানা ছিল না। কিন্তু এবার গ্রামগঞ্জে ঘুরাঘুরি করে সেই শীতলতা খুঁজে পেয়েছি।
আমি ব্যক্তিগতভাবেই গাছ-প্রেমী মানুষ। আমার বাসায়ও বাগান করার চেষ্টা করি সব সময়। সব সময় নতুন নতুন গাছ নতুন নতুন ফুল এবং ফল এর সম্পর্কে জানতেও আমার বেশ আগ্রহ রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকৃত প্রেমী মানুষ আমি। তাই তো প্রকৃতর সৌন্দর্যের খুঁজে আমি সবসময় বেরিয়ে পড়ি আমাদের নীলফামারীর বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলের দিকে। আমাদের উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ মানুষই অনেক সাদাসিদে হয়। বেশিভাগ মানুষ এই কৃষি কাজে সাথে নিয়ে নিয়োজিত কিন্তু বর্তমানে আমাদের নীলফামারী শহর অনেকটা উন্নত হয়েছে। সেইসাথে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের বিষয়বস্তু ঘটছে কিন্তু তারপরও এখনো আমাদের এই নীলফামারির আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাওয়া যায়, মনে হয় কোন এক স্বর্গে চলে এসেছি।
গ্রামীণ জনপথ আপনাদের কাছে কেমন লাগে তা অবশ্যই মন্তব্যে জানাতে পারেন। আপনারা কি কখনও নীলফামারীতে এসেছেন? যদি এসে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই গ্রামীণ জনপদ সম্পর্কে ন্যূনতম হলেও আপনার ধারণা আছে। যাইহোক আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি ধন্যবাদ সকলকে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: গ্রামীণ জনপথ
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......
god bless you
@alsarzilsiam, Assalamu Alaikum! What a beautiful glimpse into your Nilphamari! Your love for your মাতৃভূমি shines through every word and photo. The images of the গ্রামীণ জনপথ are truly captivating – so peaceful and green. It's wonderful how you balance your city life with these trips back to nature, reminding us of the simple beauty that exists outside the urban hustle.
I especially loved how you described finding সেই শীতলতা under the trees. Your passion for plants and nature is infectious! It's clear why this post is trending; it's a heartfelt invitation to experience the serenity of rural Bangladesh through your eyes.
Have you considered perhaps capturing some of the sounds of Nilphamari on your next trip? Birdsong or the gentle breeze through the trees? Thanks for sharing this slice of paradise with us! What's your favorite time of year to visit?
আমি গেছিলাম নীলফামারীতে। সত্যিই আপনার বর্ণনা মতো গ্রামের সেই জনপদগুলোতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ে আর মন ভালো হয়ে যায়। গাছের ছায়ায় বসে শীতল বাতাস অনুভব করার আনন্দ আমার ও হয়েছে। নীলফামারীর ঐ সব গ্রামের সাদাসিধে মানুষ আর সরলতা মনে গভীর ছাপ ফেলে। আপনার এই লেখায় আবারো সেইসব স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠল। এমন সুন্দর এবং প্রাণবন্ত বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মজাই আলাদা। আর এতো সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরতে গেলে তো কোনো কথাই নেই। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে চোখ দুটি একেবারে জুড়িয়ে গিয়েছে ভাই। বেশ ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।