পরিবারের সাথে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত (পর্ব ২)
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনার সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমিও মোটামুটি ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। গতকাল আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম আমাদের ঘোরাঘুরি এবং এনজয় করার কিছু মুহূর্তের কথা। আজ আমি সেটার এই দ্বিতীয় পর্ব লিখতে যাচ্ছি। আপনারা যারা প্রথম পর্ব পড়েননি সেটা পড়ে আসলে অনেকটা খুশি হতাম।
তো, আমরা সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম মেট্রোরেলে করে মিরপুর ১০ এ যাব এবং সেখান থেকেই আমাদের কিছু আনুষঙ্গিক কাজ রয়েছে এবং যেহেতু সামনে ঈদ রয়েছে, যেহেতু কিছু কেনাকাটাও আমাদের করা দরকার ছিল। সেই উদ্দেশ্যেই সাধারণত মিরপুর ১০ এ যাওয়া। এছাড়াও মিরপুর ১০ এ আমার তিথি আপু রয়েছে এবং আমার একটা ছোট বোন সেখানেই জব করে, তার সাথে একটু দেখা করা আমাদের প্রয়োজন ছিল বিধায় সেখানেই যাওয়া। প্রথমেই সেখানে গিয়ে আমার ও ছোট ভাই এর জন্য দুটো শার্ট নিয়েছিলাম। যেহেতু বর্তমানে অনেক বেশি গরম পড়ছে এবং আমার আগের শার্টগুলো কোনোভাবেই আমার গায়ে হচ্ছিল না, তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম দুটো শার্ট কিনব এবং একটি প্যান্ট কিনব।
এদিকে আমার মামাতো বোন তামান্না কেউ ফোন করে মিরপুর ১০ই আসতে বললাম। সে আসলে একই সাথে সবাই মিলে একটু সময় কাটালাম। বেশ কিছু শপিং ও করেছি। এছাড়াও আম্মু এবং আমার বউ কিছু থ্রি-পিস নিয়েছিল। তবে এবার ব্রান্ডের দোকান থেকে কোন কিছুই কেনা হয়নি। সাধারণত নরমাল যে সকল দোকান রয়েছে সে সকল দোকান থেকেই কেনা হয়েছিল। এক একটি থ্রি পিস শার্ট এগুলোর দাম ব্রান্ডের অনেক বেশি। সেই তুলনায় খোলা মার্কেট থেকে যদি এগুলো আমরা কিনি সে ক্ষেত্রে একই টাকায় প্রায় অনেকগুলো কোয়ান্টিটির শার্ট এবং থ্রি পিস পাওয়া যাচ্ছিল। সেম কোয়ালিটির। যেহেতু আমি একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র তাই সে বিষয়গুলো অনেক ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছিলাম।
সেদিন আবার প্রচন্ড গরম ছিল ঢাকার মধ্যে। তাই আমরা সকলে মিলে শপিং শেষ করে কুশলের রস খেয়েছিলাম। যেটাকে আপনারা আখের রস নামেও চিনে থাকবেন। সে সবগুলো খেয়ে আমার ছোট বোন তামান্না কেউ একটি থ্রি পিস গিফট করা হয়েছিল আম্মুর পক্ষ থেকে। সেসব কাজ শেষ করে পরবর্তীতে রাত প্রায় দশটার দিকে আমরা বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। মোটকথা সেদিন অনেকটাই চমৎকার একটি সময় কেটেছে আমাদের সকলের জন্য। কিন্তু শপিং করতে গিয়ে অনেকটা বেশি হয়রানি হতে হয়েছে। একেই তো মাত্রা অতিরিক্ত গরম তার উপরে হেঁটে হেঁটে অনেকগুলো দোকান ঘুরতে হয়েছে এবং অনেকটা সময় আমাদের সেখানেই ব্যাহিত হয়েছে। কিন্তু পরিবারের সাথে শপিং করা কিংবা ঘুরতে যাওয়া এর সকল কিছুই কিন্তু একটি পরিবারের অংশ এবং অনেকটা প্রশান্তিরও বটে।
এইতো আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই পরিবারের সকলেই নীলফামারের উদ্দেশ্য রওনা দিবে। ইতিমধ্যে টিকিট কাটাও কনফার্ম হয়েছে। কিন্তু আমি হয়তো কিছুদিন দেরিতে নীলফামারের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। কারণ ঢাকার মধ্যে আমারও বেশ কিছু কাজ এখনো পেন্ডিং রয়েছে এছাড়াও আমার ভার্সিটি এখন পর্যন্ত ঈদের ছুটি দেয়নি। তাই সব মিলিয়ে আমাকে একাই ঢাকায় থাকতে হচ্ছে আরও বেশ কিছুদিন। যাই হোক আজকের মত এখানেই শেষ করছি আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: পরিবারের সাথে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত (পর্ব ২)
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......
বাহ ফেমিলিকে সাথে নিয়ে দারুণ কিছু মুহূর্ত অতিক্রম করলেন। পরিবারের সবাই মিলে কোথাও ঘুরতে গেলে ভালোই লাগে।
হ্যাঁ ভাই একই রকম কোয়ালিটি হলেও, ব্র্যান্ডের জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। যাইহোক পরিবার নিয়ে বেশ ভালোই শপিং করেছেন মিরপুর গিয়ে। সবমিলিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন সেদিন। এতো সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।