প্রাণের শহর নীলফামারী
হ্যালো, আমার বাংলা ব্লগ পরিবার।আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও মোটামুটি আগের থেকে অনেকটা সুস্থ অবস্থার করছি। কিন্তু তারপরও জ্বর এবং ঠান্ডা এখনো লেগেই রয়েছে। দুদিন হলো নীলফামারীতে এসেছি। প্রাণের শহরে আসতে পেরে আমি ব্যক্তিগতভাবেই অনেক খুশি। তবে এখানে আসার পর থেকেই প্রচণ্ড ধরনের গরম অনুভব করছিলাম। তবে সৃষ্টিকর্তার অশেষ মেহেরবানীতে আজ বিকাল থেকে আমাদের নীলফামারী শহরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। যেটা আসলে অনেকটা আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করছে।
এবার ঈদের অনেক আগেই কিন্তু আমি নীলফামারীতে এসে পড়েছি। এর পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। দীর্ঘ অনেকদিন যাবত আমার সম্পূর্ণ ফ্যামিলিকে নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিলাম। যদিও আম্মুর অফিসের ব্যক্তিগত কিছু কাজ ছিল সবমিলিয়েই ঢাকা শহরে বেশ ভালো সময় উপভোগ করেছিলাম আমরা সকলেই। কিন্তু এখন আবারও সকলেই আমরা নীলফামারীতে চলে এসেছি। যেহেতু সামনে একটি ঈদ রয়েছে। তাই এইটা ঘিরে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও নতুন বিয়ে করেছি এই দিক থেকেও বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে। জানিনা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারবো। তবে নীলফামারীতে আসলেই আমি একটু ব্যস্ততার মধ্যে পড়ে যাই। ব্যস্ততা বলতে এই বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ দেখা, বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা, নদীর পারে ঘুরতে যাওয়া। সবকিছুতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে।
অসুস্থতার মধ্যেই বাসায় চলে এসেছিলাম এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেনি। জ্বর এবং ঠান্ডা কোন ভাবেই যেন কমছে না। এর জন্য আজ সারাদিনই বিশ্রাম নিয়েছি। কিন্তু তারপরও এখনো শারীরিক কোন উন্নতি লক্ষ্য করছি না। এই দিকে আবার প্রচন্ড গরম ছিল সারাটা দিন জুরে। এইদিক থেকেও বেশ কষ্ট হয়েছিল তবে এখন মোটামুটি সব কিছুই ঠিক রয়েছে যেহেতু প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে এবং আবহাওয়া প্রচন্ড শীতল হয়ে গিয়েছে।
সত্যি কথা বলতে নিজের বাসার মত শান্তি আসলে কোথাও পাওয়া যাবে না। যদি আপনি রাজপ্রাসাদেও চলে যান তারপরও এই শান্তির অনুভূতিটা হয়তো আপনি পেতে পারবেন না। যদি আপনি আপনার নিজের বাসায় অবস্থান করেন সেই বাসা যদি ভাঙ্গাচুরাও হয় তাহলেও কিন্তু আপনি আলাদা ধরনের একপ্রকার শান্তি অনুভব করতে পারবেন। এই শান্তি আমি আমার প্রাণের শহর নীলফামারীতে আসলে অনুভব করি।
ইতিমধ্যেই একটি দুলাভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে। সেই দুলাভাই ও বর্তমানে নীলফামারীতে এই অবস্থান করছে। আমি যতদিন নীলফামারী থাকি সে দুলাভাইয়ের সাথেই মোটামুটি ঘোরাফেরা করি এবং তার সাথেই বিভিন্ন নদীতে গিয়ে গোসল করি। বেশ কয়েকদিন ধরে আজ তিনি আমাকে সেই বিষয়গুলো বলছিল এর আগে যখন ঢাকায় গিয়েছিলাম তার আগে কিন্তু প্রচুর নদীতে গোসল করেছিলাম সেই দুলাভাইয়ের সাথে। যেহেতু এখন প্রচন্ড গরম পড়ছে তাই চিন্তা করেছিলাম আগামীকাল কোন এক নদীতে গিয়ে আবারো গোসল করব। জানিনা সেটা সম্ভব হবে কিনা কিন্তু তারপরও প্ল্যানিং করতে তো সমস্যা নেই, তাই না।
আপনারা কি কখনো নীলফামারী শহরে এসেছিলেন। যদি এসে থাকেন তাহলে অবশ্যই মন্তব্যে ছোট করে জানাতে পারেন। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি আপনারা সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ সকলকে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: প্রাণের শহর নীলফামারী
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......
আপনি নীলফামারীর নদী ও প্রকৃতির সৌন্দর্য সম্পর্কে লিখেছেন, যা খুবই আকর্ষণীয়।দুলাভাইয়ের সাথে আপনার নদীতে গোসল ও ঘোরাঘুরির গল্পটি খুবই মজার।আপনি আমাদের নীলফামারী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছেন, যা খুব ভালো। এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমাদের এখানেও প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। যাইহোক নীলফামারিতে গিয়ে বেশ ভালো সময় কাটাচ্ছেন। আসলে নিজের এলাকায় বসবাস করতে সত্যিই খুব ভালো লাগে। আশা করি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভাই।