শীতের আগমন
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমিও ভালো আছি। বর্তমানে যারা বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাস করছেন তারা মোটামুটি শীতের আগাম আভাস পেয়ে যাচ্ছেন। যদিও দিনের বেলা আর গরম থাকছে কিন্তু সন্ধ্যা নামার পর থেকেই শীতের এক ধরনের আলাদা আমেজ কাজ করছে, যেটা আসলে অনুভূতি হচ্ছে।
আমি সাধারণত বাসা থেকে খুব একটা বেশি বের হই না। তবে গতকাল একটু সুযোগ ছিল এবং সাথে দুজন বন্ধু ছিল বিধায় সন্ধ্যার পরে আশেপাশের এলাকাগুলোতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। বিশেষ করে আমাদের নীলফামারীর একটি অদুল গ্রামে এক টাকার পেঁয়াজু বিক্রি করে। সেটা খাওয়ার উদ্দেশ্যেই বের হয়েছিলাম। কিন্তু বের হওয়ার পর থেকে বুঝলাম গ্রামে কতটা পরিমাণ শীত পড়েছে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে শীতকাল অনেকটা বেশি পছন্দ করি। শীতকালের ওয়েদার টা আমার কাছে অনেকটা বেশি ভালো লাগে। এছাড়াও শীতকালীন নানান ধরনের নতুন নতুন শাকসবজি বাজারে ওঠে যেগুলোর সাদও অতুলনীয় এবং গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতকালটা আমার কাছে কেন জানি মনে হয় অনেকটাই পারফেক্ট। গতকাল তিন বন্ধু মিলে একটি বাইকের চেপে সেই অদূর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। যদিও ওর নামটা ঠিক এখন মনে পড়ছে না। আমাদের নীলফামারী শহর থেকে বাইকে করে আধা ঘন্টা সময় লাগে সেখান পর্যন্ত যেতে।
সেখানে গিয়ে এন আমরা যথারীতি সেই দোকানটা খুঁজে বের করলাম এবং সেখান থেকেই এক টাকার পিঁয়াজু কিনে খাওয়া শুরু করলাম। পেঁয়াজগুলো বেশ সুস্বাদু ছিল এবং দামেও অনেক সস্তা হওয়াতে অনেকগুলো একেবারেই খাওয়া যায়। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে সেখানে আর আমরা বেশিক্ষণ অপেক্ষা করিনি কারণ সেখানে অনেকটা বেশি ঠান্ডা লাগছিল। যদিও আমার মনে হয়নি যে এতটা বেশি ঠান্ডা পড়বে সেই দিকে তবে শীতের আগমন ঘটছে সেটা অনেক ভালোভাবেই গতকাল বুঝতে পারছি।
সেখান থেকেই আসার সময় একটি জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম। যেই ছবিটি আপনারা বর্তমানে পোস্টে দেখতে পারছেন। সেই জায়গাটা এতটাই চমৎকার ছিল। দূর থেকে দেখতে কোন একটা আর টুরিস্ট প্লেস এর মত লাগছিল। আমরা সেখানে গিয়ে আর কয়েকটি ছবি তুলে আবার সেখান থেকে ব্যাক করেছিলাম। তবে একটু লক্ষ্য করলেই বুঝা যাবে প্রায় আনুমানিক রাত আটটার দিকে সেখানে ভালো কুয়াশা পড়েছিল।
সব মিলিয়ে গতকাল ঘন্টা খানিক অনেক ভালো ইনজয় করেছিলাম আমরা তিন বন্ধু মিলে। পরবর্তীতে আবার আমরা নীলফামারী শহরেই ফিরে আসি। যদিও নীলফামারীর গ্রামে গঞ্জে এখন মাত্রা অতিরিক্ত শীত পড়া শুরু হয়েছে রাতের বেলা করে। কিন্তু আমাদের নীলফামারী শহরে এখনো তেমনভাবে শীতের প্রভাব টা দেখা যাচ্ছে না। হয় তো খুব দ্রুত শহর অঞ্চলেও শীতের প্রভাব পড়া শুরু হবে।
আপনাদের অঞ্চলের কি অবস্থা তা অবশ্যই মন্তব্যে জানাতে পারেন এবং আপনাদের কোন কাল সবথেকে বেশি প্রিয় সেটাও মন্তব্যে জানাতে ভুলবেন না। আজকের মত এখানেই শেষ করছি আপনারা সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ সকলকে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: শীতের আগমন
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......