পরিবারের সাথে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত (পর্ব ১)
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনার সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমিও মোটামুটি ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। গত কয়েকদিন আগেই পরিবারের সকলে মিলে আমরা একটু ঘুরতে বেরিয়েছিলাম এবং আরো আনুষঙ্গিক কিছু কাজ ছিল সেদিন। তো আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম প্রথমে আগে একটু এনজয় করব পরবর্তীতে আমাদের কাজগুলো সেরে নেব।
বর্তমানে আমার বাবা ছাড়া সবাই আমরা ঢাকায় অবস্থান করছি। সেই সাথে আমার বউও বর্তমানে আমার সাথেই রয়েছে। যদিও ঢাকায় আসার পর থেকে তেমন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি কিংবা বেড়াতে যাওয়া হয়নি। তাই সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা একদিন ঘুরতে বের হব এবং একটি বিকেল আমরা সকলে মিলে অনেকটা এনজয় করব।
তবে কোথায় যাব এই নিয়ে বিশেষ ধরনের কথার ডাঙ্গা লেগে যায়, হাহাহা। আসলে ঢাকা শহরে দেখার মতো তো অনেক জায়গায় রয়েছে কিন্তু আসলে আমাদের বাসা থেকে কোনটা বেশি কাছে হবে এবং যেই জায়গায় গেলে একটি নিরিবিলি পরিবেশ পাব সেই জায়গাটাই আমরা খুজছিলাম। অতঃপর অনেক খোঁজার পরে আমার মনে পড়ল বাংলাদেশ বিমানবন্দর যাদুঘর সম্পর্কে। আমি গত দশ বছর ধরে ঢাকায় অবস্থান করলেও আমি খুব বেশি একটা জায়গায় ঘুরাঘুরি করি না বা ঘুরতে যাই না। এটা আমার বলতে পারেন, প্রয়োজন ছাড়া আসলেই তেমন কোথাও আমি যাই না।
যাইহোক সবার সম্মতি ক্রমে আমরা আগারগাও এর উদ্দেশ্যে বের হলাম। কিন্তু ঢাকার রাস্তাঘাটের যা অবস্থা আমরা বিকেল বেলায় বের হয়েছিলাম কিন্তু সেখানে যেতে যেতে সেই প্রায় পাঁচটা অতিক্রম হয়ে যায়। বিমানবন্দর জাদুঘর গিয়েছিলাম ২০১৭ সালে। এরপরে আর তেমনভাবে যাওয়া হয়নি। এখন আরও অনেক কিছুই নতুন ভাবে এড করা হয়েছে। জায়গাটাও বেশ খানিকটা বাড়ানো হয়েছে এবং খোলামেলা পরিবেশ বেশ ভালোই সময় ইনজয় করেছি।
সেখানে মূলত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন কোন বিমানগুলো ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলোর কিছু সংখ্যক হেলিকপ্টার এবং এরোপ্লেন ছিল। সেই সাথে ভারতীয়রা যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় সাহায্য করেছিল সেটারও কিন্তু প্রমাণ জাদুঘরে গেলেই দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও ছোটদের জন্য ব্যাপক খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ভিডিও গেম রয়েছে এবং বড়দের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইড রয়েছে। আমরা পুরো এলাকাটা ভালোভাবে ঘুরে দেখলাম এবং ঘুরা শেষে মাঠের মধ্যে বসে সেখানেই আইসক্রিম খেলাম।
পরবর্তীতে সেখানেই প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসলো এবং আমাদের পরবর্তী গন্তব্য ছিলো মিরপুর। সেখানে মেট্রোরেল রয়েছে এবং সেই মেট্রোরেলে করে খুব সহজে মিরপুর ১০ এ যাওয়া যায়। তাই আমরা সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম মেট্রোরেলে করেই মিরপুর ১০ পর্যন্ত যাব। অনেকদিন পর পরিবারের সকলে মিলে ঘুরতে বেরিয়েছি এবং ঘুরতে বেরিয়ে বেশ ভালোই লাগবে পরবর্তী বিষয়গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব। আজকের মত এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: পরিবারের সাথে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত (পর্ব ১)
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে অনেক আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে ঘুরতে গেলে বেশ ভালোই লাগে। যাইহোক পরিবারের সাথে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন সেখানে গিয়ে। মেট্রোরেলে চড়ে বিভিন্ন জায়গায় একেবারে অল্প সময়ে যাওয়া যায় বলে,আমারও মেট্রোরেলে চড়তে খুব ভালো লাগে। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।