বিদেশের মাটিতে বসে ফুচকার স্বাদ।
প্রবাসে থাকি বলে আমাদের যে কোন ইচ্ছা শক্তি নেই এটা একেবারে ভুল ধারণা আমাদেরও মন চায় ভালো কিছু খেতে আমাদের মন চায় ভালো একটা জায়গায় যেতে তবে সময় সাপেক্ষে সবকিছু করা সম্ভব হয় না তবে সর্বদা নিজেরাই তৈরি করে খাওয়ার চেষ্টা করি যদি কোন কিছু খেতে মন চায়।
সবার প্রতি রইল আমার আন্তরিক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা আশা করি সবাই ভাল এবং সুস্থ আছেন আজ আবার আমি আপনাদের মাঝে আমার কিছু অনুভূতির কথা শেয়ার করতে চায় বাজার থেকে কিছু ফুচকা কিনে নিয়ে এসে নিজেরাই তৈরি করে খেয়েছিলাম। তারে কিছু কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে আসলাম।
ফুচকা এর শব্দ টা শুনলেই যেন জিভে জল চলে আসে আর কম বেশি সবাই ভালোবাসা এটা তবে হয়তো বা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে পরিচিত আছে বেশিরভাগ বাংলাদেশের মানুষ এটাকে ফুচকা বলেই জানে।
আমি বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ থেকে ঘুরে এসেছি আসার পরে আমার রুমের ভিতরে বসে কথায় কথায় আমার ছোট ভাইয়ের সামনে বলে ফেলেছিলাম যে বাংলাদেশে গিয়ে আমি ফুচকা খেয়েছিলাম তখন সে হঠাৎ করে বলে বসে এখানে পাওয়া যায় না আমি তখন তাকে বলছিলাম যদি মার্কেটে পাওয়া যায় আমি অবশ্যই নিয়ে আসবো।
আমি মাঝেমধ্যেই বাহিরে যাই বাজার করতে কারণ আমাদের এখানে তেমন কোন দোকান নাই আর মার্কেটে ভালো ভালো নিত্য নতুন জিনিস বা শাকসবজি পাওয়া যায় সেখানে অনেকগুলো বাংলাদেশের দোকানও আছে বাজার করতে গিয়ে হঠাৎ করে আমার চোখের সামনে পড়ে যায় প্যাকেট সেগুলো ভাজি করা নাই।
আমি এর আগে কখনো এভাবে তৈরি করে খেয়ে দেখে নিই তবে ভালো ধারণা আছে যে এগুলো তেল দিয়ে ভাজি করতে হবে তারপরে না খুলে উঠবে এবং অন্যান্য প্রসেসিং গুলো আমরা ইউটিউব থেকে দেখে শুরু করি। আলু সিদ্ধ করে নেয় এবং টক তৈরি করে নেই নিজেরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে দোকান থেকে খেতে গেলে হয়তোবা টাকার পরিমাণ পড়বে বেশি খাওয়া হবে কম কিন্তু এখানে তো ওটা পাওয়া যায় না তাহলে কিভাবে খাবো এটাই সব থেকে বড় সমস্যা।
যাই হোক আমরা আমাদের সামর্থ্য মতো আমরা চেষ্টা করে তৈরি করেছিলাম এবং মোটামুটি অনেক ভালো স্বাদ হয়েছিল আমরা এক ধরনের পানি বা টক তৈরি করেছিলাম তার সাথে বেশি কিছু তৈরি করতে পারি নাই আর আলু এবং ডিম সিদ্ধ ছিল মোটামুটি অনেক ভালো হয়েছিল।
সব থেকে বড় কথা বিদেশের মাটিতে বসে ফুচকা খাওয়া আর একসাথে দুই তিনে ভাই এক জায়গায় বসে খাওয়া এটার মজাই আলাদা। তবে বাজার থেকে খেতে গেলে এগুলোর দাম আনুমানিক ১০০ রিংগিতের উপরে পড়ে যেত কিন্তু ঘরে বসে তৈরি করে সর্বমোট ১০ রিঙ্গিত খরচ হয় নাই আর সবথেকে বড় কথা এটার মজা বা আনন্দ এটা স্মরণীয় হয়ে থেকে গেছে আর যখনই সময় পাই চেষ্টা করি ভালো কিছু তৈরি করার।
পরবর্তীতে আমি এই ধরনের মজার অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আমার জন্য দোয়া রাখবেন সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
❤️❤️
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
My Twitter Link
https://x.com/aburihan2017/status/1960366315828625569
এই পোস্ট দেখে হঠাৎই চিকলি পার্ক স্ট্রিটের ফুচকার দোকানের কথা মনে পড়ে গেল! বিদেশে বসে এই টেস্ট বডির টানটা কি আর বলে বোঝানো যায়! সত্যি বলতে, এই অনুভূতিটা আমি একদম কাঁচা-আমি-জলপানের মতো। সর্বোপরি আপনাকে ধন্যবাদ