"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল - রাউন্ড #৭৫০ [ তারিখ : ০২.০৯.২০২৫ ]
বিগত ০২ মে ২০২৩ থেকে "আমার বাংলা ব্লগের" একটা নতুন ইনিশিয়েটিভ আজকের ফিচারড আর্টিকেল চালু করা হয়। এই উদ্যোগটি এখনও অব্দি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মেই একদম নতুন ও ইউনিক । কি এই "আজকের ফিচারড আর্টিকেল" ? আসুন জেনে নেওয়া যাক ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল : আমার বাংলা ব্লগে প্রতিদিন নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়ে থাকে । অলটাইম এভারেজ ১৭০ জন রাইটার এক্টিভলি আর্টিকেল লিখে চলেছেন প্রতিদিন । এত এত আর্টিকেলের মধ্যে থেকে বেছে নিয়ে প্রত্যহ ফিচারড আর্টিকেল হিসেবে একটি আর্টিকেলকে আলাদা করে পাবলিশ করা হবে আমাদের কমিউনিটির নতুন একটি একাউন্টে । যেহেতু, হুবহু অন্যদের আর্টিকেল স্টিমিটে আলাদা অন্য আর একটি একাউন্টে পাবলিশ করার নিয়ম নেই তাই আমরা ফিচারড আর্টিকেলের কিছু অংশবিশেষ নিয়ে আলোচনামূলক পোস্ট করবো । সেই সাথে থাকবে সেই সকল ফিচারড আর্টিকেলের রাইটারদের নাম, আর্টিকেলের নাম ও আর্টিকেল পোস্টের লিংক । এডিশনালি আমরা ছোট্ট একটা পিডিএফ পাবলিশ করবো প্রত্যেক মাসের প্রথম রবিবারে । এই পিডিএফ -এ থাকবে বিগত এক মাসের সবগুলি ফিচারড আর্টিকেল ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল রাইটার - @mohinahmed
অথর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
অথরের নামঃমহিন আহমেদ । জাতীয়তা- বাংলাদেশী । বৈবাহিক অবস্থান- বিবাহিত । তার শখ- ভ্রমণ করা এবং গান গাইতে খুব পছন্দ করেন। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করেন। স্টিমেট ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু- ২০২২ সালের জুন মাসে। তিনি তার পরিশ্রম, মেধা এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টা দিয়ে আমার বাংলা ব্লগে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
এক নজরে তাঁর বিগত সপ্তাহের পোস্টগুলি :
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল :
ওয়াফি কে নিয়ে প্রথম বারের মতো ঘুরাঘুরি করার অনুভূতি by @mohinahmed( 01/09/2025)
আজকের লেখা একেবারেই আলাদা অনুভূতি নিয়ে হাজির হয়েছে। লেখক আমাদেরকে নিয়ে গেছেন একটি পারিবারিক ভ্রমণের উষ্ণ ও আবেগঘন মুহূর্তে। গত কয়েকদিন ধরে কমিউনিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে মন খারাপের সময় কাটালেও, পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে ছোট্ট একটি আউটিং কীভাবে মনকে আবারো সতেজ করে তুলতে পারে এই লেখায় তার জীবন্ত প্রমাণ মেলে। লেখক, তার স্ত্রী এবং ছোট্ট সোনামণি ওয়াফি মিলে প্রথমবারের মতো ঘুরতে গিয়েছিলেন আনন্দ রিভারভিউ পার্ক এন্ড রিসোর্টে।
ভ্রমণের প্রতিটি ধাপে আনন্দ, ক্লান্তি, খুশি আর পরিবারের বন্ধনকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে ছোট্ট ওয়াফির খুশির মুহূর্তগুলো পাঠকদের মন ছুঁয়ে যাবে নিশ্চিতভাবেই। ছবিগুলোও গল্পকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি ভ্রমণকাহিনী নয়, বরং পরিবার, সম্পর্ক আর জীবনের ছোট ছোট সুখকে উপভোগ করার এক অনন্য বার্তা।

প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার এই পোস্টটি ফিচার্ড আর্টিকেল হিসেবে বাছাই করার জন্য। আসলেই সেদিন ঘুরাঘুরি করে, কিছুটা হলেও মানসিক প্রশান্তি পেয়েছিলাম। সত্যি বলতে ভেবেছিলাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ করে যাবো। কিন্তু হঠাৎ করে দাদার এমন সিদ্ধান্তে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। যাইহোক সর্বোপরি দাদা এবং দাদার পুরো পরিবারের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।